Posts

Showing posts from May, 2025

আক্ষেপ নাই

 আক্ষেপ নাই  খাদিজা বেগম  কারো ক্ষতি করি নাই তাই  এই জীবনের প্রতি আক্ষেপ নাই,  দুঃখ, কষ্ট যা পেয়েছি  সম্পদ ভেবে সব নিয়েছি তাই।। কারো কারো জীবনে নাই  দুঃখ কষ্টের অনুভূতি বোধ, সেই বোধ থেকেই বলছি আমি  কেউ নিও না কভু প্রতিশোধ। অপরাধী বোধ যার ভিতরে  জ্বলে পুড়ে হবে সে জন ছাই।। আমিও তো প্রেম দেখেছি  নিয়েছি সেই প্রেমের মিষ্টি ঘ্রাণ,  প্রেমের ঝড়ে ভেঙে চুরে  আবার খানখান হয়েছে এই প্রাণ।। এই জীবনের রস মাধুর্য  মিলনেরই সুখ আর বিরহের বিষ, এক জীবনের সব পেয়েছি  তাই মরণকে করিতে চাই কিস। সুখে, দুঃখে পূর্ণ জীবন  পৃথীবিতে আর হবে না ঠাঁই।।

বিষন্ন মন

 বিষন্ন মন  খিদিজা বেগম মন খারাপের এই যন্ত্রনা  চাই না আমি চাই না, কেন এত বিষন্ন মন  কিছু ভেবে পাই না।। কুকুরের ডাক কুকুর ডাকে  চিৎকার করে ঘেউ ঘেউ, বিড়ালের ডাক বিড়াল ডাকে  মিষ্টি করে মিউ মিউ। কুকুর বিড়াল ওদের জন্য  আমি তো আর দাই না।। আমি মানুষ মনুষত্ব আমার বাচার সম্বল, অন্যের দোষে আমি কেন  ফেলবো নয়নের জল।। এই মন আমার শক্ত করো  যেন ব্যাথা না পায়,  ডানা ভাঙ্গা পাখির মত  যেন আর না দা পায়। ভুল করেও যেন আমি  ভুল পথে আর যায় না।।

তোমার ইশকে

 তোমার ইশকে  খাদিজা বেগম  ইশকে ইশকে তোমার ইশকে  জ্বলে পুড়ে আমার মন, কেমন করে বলবো আমি  তোমায় আমার প্রয়োজন।। ইশকের আগুন যায় না দেখা  উড়ে নাতো তার ধোঁয়া,  অনুভবে ভেসে আসে  হাওয়ায় হাওয়ায় তার ছোঁয়া। এই হৃদয়ের দরজা খোলা  তোমার জন্য প্রিয়জন।। এসো এসো কাছে এসো  সয়না মনে বিরহ,  তুমি ছাড়া জ্বলে পুড়ে  ছাই হয়ে যায় এই দেহ।। স্রষ্টার ইশকে সৃষ্টি হয়ে  এলাম আমরা জগতে, তবু কেন এত বাঁধা  পবিত্র এই ইশকেতে। তোমায় নিয়ে স্বপ্নে বিভোর  হয়ে থাকি সারাক্ষণ।।

টাকার চেয়ে

 টাকার চেয়ে  খাদিজা বেগম  আমি যাদের আপন ভাবি ভাবি আমার প্রানের প্রিয় স্বজন , তারাই আমায় বুঝিয়ে দেয়  টাকার চেয়ে হয় না কিছু আপন।। আমি যাদের বিশ্বাস করি  দিনর সূর্য রাতের চাঁদের মত, এই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে  তারাই আমার মন করেছে ক্ষত। স্বার্থপরে বুঝে নাতো  বিশ্বাস হলো সত্যি কারের জীবন।। পৃথিবীতে বিশ্বস্ত লোক  হওয়াটা নয় কারো জন্য সোজা, বিশ্বাস ভাঙ্গা, বিশ্বাসঘাতক  নিজের কাছে নিজই বিশাল বোঝা।। বিশ্বাস অর্জন অনেক কঠিন  তার চেয়েও কঠিন ধরে রাখা, যেই হৃদয়ে তুমি থাকো  তা করো না যেন রক্তমাখা। হৃদয় যদি রক্তাক্ত হয়  রক্তের ঘ্রাণে আসবে ছুটে মরণ।।

সংস্কার

 সংস্কার  খাদিজা বেগম  যুদ্ধ আছে যুদ্ধ চলছে   যুদ্ধ কভু হবে না শেষ,  যুদ্ধ করেই রক্ষা করবো  আমাদের মা এই বাংলাদেশ।। কোথায় আছো হে দেশপ্রেমিক  জেগে ওঠো দেশের প্রতি, তাদের তরে যুদ্ধ হবে  যারা করছে দেশের ক্ষতি।  বীর সাহসী যোদ্ধা আমরা  যুদ্ধ করতে লাগে যে বেশ। সংস্কার এ বাঁধা যারা  তারাই চায়না দেশের ভালো, জ্বালো জ্বালো কন্ঠে কন্ঠে  প্রতিবাদের আগুন জ্বালো।। চায়না যারা এই সংস্কার  তারাই দেশের বড় দুশমন,  তারাই আবার আগের মত  আগামীতে করবে দুঃশাসন। নৈতিকতা ধরে রেখে  আমরা গড়বো আমাদের দেশ।। #খদিজাবেগম #everyonefollowers #বাংলাগান #Khadija #বাংলাদেশ

অসুখ

 অসুখ  খাদিজা বেগম  রাত্রি ছাড়া দিন আসে না  দুঃখ ছাড়া আসেনা সুখ,  ভাটা ছাড়া হয় না জোয়ার  কান্না ছাড়া হাসে না মুখ।। হাজার রাত্রি দিলাম পাড়ি  তবু কেন ভোর হলো না,  হাজার কষ্ট সইলাম আমি  তবু কেন সুখ এলো না। কষ্টের ঢেউয়ে পাঁজরের হার  ভেঙ্গে ভেঙ্গে ভরেছে বুক।। ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাড়ের গুঁড়া  বুকের মাঝে চিলিক মারে, কত দুঃখ কত কষ্ট  একটা মানুষ সইতে পারে।। আমি কারো চোখের বালি  গলার কাঁটা হতে চাই না,  তবু আমি আমার মত  কেন আমার জীবন পাই না। কানায় কানায় ভরা কেন  এই জীবনে এত অসুখ।।

চোখের বারি

 চোখের বারি  খাদিজা বেগম  চোখের পাতা বন্ধ করলে হয়না বন্ধ চোখের বারি, ফোঁটা ফোঁটা পড়তে থাকে  অবিরত কাড়ি কাড়ি।। হাজার কষ্ট চেপে রেখে  এই নিদারুন গহীন বুকে,  অভিনয়ের মিষ্টি হাসি  দিবানিশি রাখি মুখে। স্বপ্ন থেকে সুখ আসে না  সুখ দিয়েছে যেন আড়ি। চারিদিকে চেয়ে দেখি  আসলে তো কেউ সুখী নয়, সবাই করে সারা জীবন  সুখে থাকার এক অভিনয়।। জীবন যেন কষ্টেরি নাম কষ্ট ছাড়া হয়না জীবন, যেদিন কষ্ট থাকবে না আর  সেদিন আসবে ছুটি মরণ।  সুখের চোটে নয়ন বুজে  সুখের দেশে দেবো পাড়ি।।

পালা পাখি

 পালা পাখি  খাদিজা বেগম  আজকে তোমার পালা পাখি  উড়ে যাবে দূরের বনে,  মাগো তুমি বিদায় দিও  তোমার হাসিখুশি মনে।। ছোট্টকালে পালছো পাখি  মাগো কত আদর দিয়া,  সেই পাখিটা উড়ে যাবে  মাগো তোমার দোয়া নিয়া। সেই পাখিটা সময় পেলেই  বলবে কথা তোমার সনে।। সেই পাখিটার অসুখ হলে  সেবা করতে সারা দিনরাত, সেই বাকিটা খাবার খেতো  তোমার হাতের দুধ কলা ভাত।। সারাটা ক্ষণ থাকতো পাখি  মায়ের বুকটা জাপটে ধরে, আজ পাখিটা উড়ে যাবে  মায়ের বুকটা শূন্য করে। তাইতো অশ্রু বাঁধ মানে না  ঝড়ে পড়ে দুই নয়নে।।

ওহে সুখ

 ওহে সুখ  খাদিজা বেগম  ওহে সুখ, তোমার কথা শুনলাম শুধু  এই জীবনে চোখে দেখলাম না, ওহে সুখ, বলো কোন সে অপরাধে  আমায় তুমি দেখা দিলা না।। তোমায় দেখার জন্য আমার  এই বুকেতে জেগেছে খুব স্বাদ, তাইতো তোমার অপেক্ষাতে  আমি বসে থাকি দিবা রাত। ওহে সুখ, কোন ভুলেতে পর করেছ  আমায় আপন করে নিলা না।। গহিন দুঃখের পরেই নাকি  এই জীবনে আসে অনেক সুখ, দুঃখ রাখার জায়গা নাই আর  দুই নয়নে উপচে পড়ে দুঃখ।। সুখ তোমাকে পাবার আশায়  এই জীবনের বেলা ডুবে যায়,  স্বপ্নে আসো স্বপ্নে হারাও   বাস্তবেতে কেহো নাহি পায়। ওহে সুখ, বলো তুমি পৃথিবীতে  কভু ছিলা নাকি ছিলা না??

শ্রেষ্ঠ উপায়

 শ্রেষ্ঠ উপায়  খাদিজা বেগম  চলার পথে প্রতিটা পায়  কাঁটার পরে যদি কাঁটা আটকায়, একটি কাঁটা না ছুটাতেই  যদি বিঁধে কাঁটা আর একটা পায়।। কাটাকে ফুল ভেবে ভেবে  সামনের দিকে এগিয়ে যাও আরো,  জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাও  এই জীবনটা সহজ নয় তো কারো। নৈতিকতা সঙ্গী করে  এগিয়ে যাও সত্য চিন্তা ভাবনায়।। নয়নের জল মুছে ফেলে  ফুলের মত ছড়িয়ে দাও হাসি, হাসিমুখে যুদ্ধ করো  যুদ্ধ করেই আমরা সবাই বাঁচি।। সততাকে ভালোবেসে  যাও এগিয়ে আত্মবিশ্বাস নিয়ে, মহান মানুষ হয়ে ওঠো  মানুষেরে ভালোবাসা দিয়ে।  ভয়ে ভয়ে মরার চেয়ে  যুদ্ধ করে বাঁচাই শ্রেষ্ঠ উপায়।।

প্রেমের কাটা

 প্রেমের কাটা  খাদিজা বেগম  তোমায় দেখার পরে আমার  মন চলে যায় তোমার পিছে পিছে,  তোমায় ছাড়া এই দুনিয়ার  সবি যেন লাগে মিছে মিছে।। সারাটা দিন সারাটা রাত  তুমি তুমি করে আমার এই মন, আজ মনে হয় তুমি ছাড়া  মরে যাবো বাঁচবে না এই জীবন। দেহ রেখে মন মরে যায়  ছটফটিয়ে প্রেমের বিষে বিষে।। প্রেমের কাটা বিষের কাটা একবার বিধলে যায় না তারে তোলা, প্রেমের মানুষ মনে থাকে  সুখে দুঃখে কভু যায় না ভোলা।। প্রেমর ছুরি আজব ছুটি  এপিঠ ওপিঠ দুই পিটিতেই কাটে, প্রেম করলে দোষ না করলেও  প্রেমিক হৃদয় প্রেমের তৃষ্ণায় ফাটে। প্রেম নামের এই যাতা কলে  অবুঝ এই মন যাচ্ছে পিষে পিষে।।

দল কানা

 দল কানা খাদিজা বেগম  দল কানা দের চেয়ে ভালো  গৃহে পোষা কুকুর, বিড়াল ছানা, তাদের আছে গৃহের প্রতি   কৃতজ্ঞ বোধ সত্য মিথ্যা জানা।। দল কানা লোক দেশের শত্রু  তারা দেশের ভালো বোঝে না, দলের কথায় উঠে বসে  তারা ভালো মন্দ খোঁজে না।। দল কানা দেরে নাইরে ঈমান  পাপের কাজে তাই করে না মানা।। ধর্ম কানা, দল কানা লোক  এই পৃথিবীর জন্য নয় তো ভালো, ধর্মের নামে দলের নামে  এই সমাজে ছাড়ায় ওরা কালো।। ওদের ঈমান, বিবেক, বুদ্ধি  নিজের বলে নাইরে নিজের কাছে, ওরা সবাই কাপুরুষ তাই অন্যের তালে তাল মিলিয়ে নাচে। ওরা যদি মানুষ হইত  ওরা কভু হইতো না দল কানা।।

প্রেম প্রেম লাগে

 প্রেম প্রেম লাগে  খাদিজা বেগম  বৃষ্টি ভেজা ঠান্ডা হাওয়ায়  আমার প্রেম প্রেম লাগে লাগে রে,  বন্ধু তুমি চলে এসো  ভালবাসার ইচ্ছা জাগে জাগে রে।। তোমায় আমি বাসবো ভালো  রিনিঝিনি বৃষ্টির তালে তালে রে, তোমায় নিয়ে বাধবো বাসা  ভালোবাসার বৃক্ষ ডালে ডালে রে। বৃষ্টির ছোঁয়া লেগে লেগে  ফুল ফুটেছে মনের বাগে বাগে রে।। সেই ফুলেতে এত মধু  মধুর ভারে নুয়ে পড়ে পড়ে রে, অলির খোঁজে ফুলের মধু  ছটফটিয়ে যেন মরে মরে রে।। বৃষ্টি ভেজা ফুলের পাপড়ি  প্রে বিহনে জ্বলে পুড়ে পুড়ে রে, আমায় ছেড়ে আর কতকাল বল তুমি থাকবে দূরে দূরে রে। চোখের নিচে দাগ জমেছে  রাত্রি জাগা কালো দাগে দাগে রে।।

সে কই কই গো

 সে কই কই গো  খাদিজা বেগম  সে কই কই গো সে কই কই গো  আমি যারে খুজে বেড়াই, চলতি পথে যেতে যেতে  যারে ভেবে থমকে দাঁড়াই।। রাত নিশিতে এসেছিল দেখেছিলাম স্বপ্নের মাঝে, তারি ছোঁয়া লেগে আছে  আমার মনের ভাঁজে ভাঁজে। তারে ছাড়া দিশেহারা  মনে প্রাণে চাই তারে চাই।। তারে দেখে জেগে উঠলো  এই হৃদয়ে ভালোবাসা,  কমল হাতের আলতো ছোঁয়ায়  তীব্র হলো প্রেম পিপাসা।। তোমরা কেহ দেখলে তারে  আমার কথা বলে দিও,  তারে ছাড়া প্রাণ বাঁচে না  সে যে আমার প্রাণের প্রিয়।  ডানে খুঁজি বামে খুঁজি  সামনে পিছে কোথায়ও নাই।।

মানুষ হতে হলে

 মানুষ হতে হলে  খাদিজা বেগম  মানুষ হতে হলে তুমি  নৈতিকতায় পূর্ণ করো সত্তা, দুঃখ, কষ্ট, মরণের ভয় নিজের ভিতর আর দিও না পাত্তা।। প্রতিবাদের আগুন জ্বালাও যদি দেখো হয়েছে খুব অন্যায়, সত্যের তরে সবটুকু দাও  মিথ্যা ভেসে যাক সত্যের বন্যায়। খুব যতনে পুষে রাখো নিজের ভিতরে মানবিক আত্মা।। হয় যদিও অন্যায়কারী  জন্মদাতা পিতা মাতা কভু, ন্যায়ের পক্ষে থাকবে তুমি  ন্যায় বাঁচাতেই লড়ে যাবে তবু।। ন্যায় বাচালে বাঁচবে তুমি  বেঁচে থাকবে পবিত্র ময় ঈমান, লোভ লালসা দমন করো নইলে তুমি হয়ে যাবে বেইমান। মানুষ যেন তোমার কাছে  বোধ করে তার শান্তি নিরাপত্তা।।

নারী নারী নারী

 নারী নারী নারী  খাদিজা বেগম  বিপ্লবে আছে নারী স্লোগানে আছে নারী, প্রতিবাদে প্রতিরোদে দেশ প্রেমে আছে নারী। অসীম সাহসে নারী ধৈর্যতে আছে নারী,  শক্তিতে আছে নারী রণাঙ্গনের নারী।  ক্ষিপ্ত আঘাতে নারী দীপ্ত আগুনে নারী,  আকুতোভয় এই নারী ক্ষীপ্র যোদ্ধা নারী। তুখোড় কথাতে নারী মুখর মায়াতে নারী, শ্রাবণ ধারাতে নারী বজ্র আঘাতে নারী।  বরফ গলা পানির মতন শীতল নারী,  কভু অগ্নিকুণ্ডের অসীম অতলে নারী। পূর্ণিমা চাঁদ নারী অমানিশা রাত নারী, মায়া মমতায় নারী অগ্নি ধারাতে নারী।  দাবানল শিখা নারী প্রতিশোধ জয়ী নারী, অগ্নি লাভায় নারী সিংহের থাবা নারী। মৌচকের মধু নারী বিষাক্ত সাপে নারী,  প্রেমিকের চোখে নারী পিপাসার সুধা নারী। কবিতা গানের সুরে, ছন্দে, শব্দে নারী, সমাজের কাপুরুষ নারী অপমান কারী। নারী দুর্জয় নারী, নারী দুর্বার নারী, শোষণ শিকল ছিড়ে মুক্ত আকাশে নারী। মাটির গভীরে নারী সাগরের ঢেউয়ে নারী,  ফুল বাগানের গাছে গাছে ফুটে আছে নারী।  ঝিনুকের মাঝে নারী বাঁশের বাঁশিতে নারী, চৈত্র মাসে তপ্ত জলন্ত তাপে নারী, শীতের কাঁপন নারী সাদা কাফনের নারী, ...

জীবন মানে যুদ্ধ

 জীবন মানে যুদ্ধ  খাদিজা বেগম  সবকিছুই শেষ হয়ে যায়  নতুন করে শুরু হবার তরে,  শেষ শেষ বলে আর কেঁদো না  শুরু করো আবার নতুন করে।। গাছের পাতাও ঝরে পড়ে  তবুও তো সবুজ পাতা জাগে,  ঘ্রাণ ছড়িয়ে ফুল ঝরে যায় নতুন বৃক্ষ সে ফুল থেকেই লাগে। একটা ফুলে হাজারো বীজ  সে বীজ থেকে নতুন বৃক্ষ গড়ে।।  দারুন ক্ষুধায় ক্ষুধার্ত খুব  তাই বলে কি তুমি হবে কাতর? খাবার খুঁজে খেতেই হবে  মনে প্রানে হতেই হবে পাথর।। তীব্র খরা ভাটা দেখে এমন করে আর ভেঙ্গো না তুমি, একটু পরেই আসবে জোয়ার  নামবে বৃষ্টি ভিজবে মরুভূমি। জীবন মানে যুদ্ধ করা তোমায় বাঁচতেই হবে যুদ্ধ করে।।

প্রেম প্রেম লাগে

  প্রেম প্রেম লাগে খাদিজা বেগম বৃষ্টি ভেজা ঠান্ডা হাওয়ায় আমার প্রেম প্রেম লাগে লাগে রে, বন্ধু তুমি চলে এসো ভালবাসার ইচ্ছা জাগে জাগে রে।। তোমায় আমি বাসবো ভালো রিনিঝিনি বৃষ্টির তালে তালে রে, তোমায় নিয়ে বাধবো বাসা ভালোবাসার বৃক্ষ ডালে ডালে রে। বৃষ্টির ছোঁয়া লেগে লেগে ফুল ফুটেছে মনের বাগে বাগে রে।। সেই ফুলেতে এত মধু মধুর ভারে নুয়ে পড়ে পড়ে রে, অলির খোঁজে ফুলের মধু ছটফটিয়ে যেন মরে মরে রে।। বৃষ্টি ভেজা ফুলের পাপড়ি প্রে বিহনে জ্বলে পুড়ে পুড়ে রে, আমায় ছেড়ে আর কতকাল বল তুমি থাকবে দূরে দূরে রে। চোখের নিচে দাগ জমেছে রাত্রি জাগা কালো দাগে দাগে রে।।

মরণ হতেই বাকি

 মরণ হতেই বাকি  খাদিজা বেগম  সে আসবে না জেনেও কেন  আমি আশায় আশায় থাকি?  কেন তারে দেখার তরে  জেগে থাকে আমার আঁখি?? সে বাসবে না জেনেও কেন  আমি তারেই ভালোবাসি? তার ভাবনা কেন আমি  বারে বারে হই উদাসী? কেন তারে মনের খাচায়  ভালবেসে পুষে রাখি?? মন বোঝেনা প্রেম বোঝেনা  সে তো একজন হৃদয়হীনা,  তবু তারেই এই মনে চায় প্রাণ বাঁচে না তারে বিনা।। আমার কষ্টে কষ্ট পেয়ে  ঝরে পড়ে গাছের পাতা,  হৃদয়হীনা বুঝতে চায়না  তবুও তো আমার ব্যথা।  হৃদয়হীনার প্রেমে পড়ে  আমার মরণ হতেই বাকি।।

কই কই কই গো

 কই কই কই গো  খাদিজা বেগম  কই কই কই গো কই কই কই গো  আমি যারে খুজে বেড়াই, চলতি পথে যেতে যেতে  তারে ভেবে থমকে দাঁড়াই।। রাত নিশিতে এসেছিল দেখেছিলাম স্বপ্নের মাঝে, তারি ছোঁয়া লেগে আছে  আমার মনের ভাঁজে ভাঁজে। তারে ছাড়া দিশেহারা  মনে প্রাণে চাই তারে চাই।। তারে দেখে জেগে উঠলো  এই হৃদয়ে ভালোবাসা,  কমল হাতের আলতো ছোঁয়ায়  তীব্র হলো প্রেম পিপাসা।। তোমরা কেহ দেখলে তারে  আমার কথা বলে দিও,  তারে ছাড়া প্রাণ বাঁচে না  সে যে আমার প্রাণের প্রিয়।  ডানে খুঁজি বামে খুঁজি  সামনে পিছে কোথায়ও নাই।।

ভাব নিজের কথা

 ভাব নিজের কথা  খাদিজা বেগম  যারে আমি খাওয়াই ছিলাম  পাতে তুলে বড় মাছের মাথা,  সবার চেয়ে সেই আমাকে  দিয়ে গেছে অনেক দুঃখ ব্যথা।। যারে বিশ্বাস করেছিলাম  আমার নিজের চেয়েও অনেক বেশি,  সেই তো বিশ্বাসঘাতক হয়ে  কেড়ে নিল আমার মুখের হাসি।  তার কারণে অশ্রু জলে  ভেজা ভেজা দুই নয়নের পাতা।। যারে ভালোবেসে আমি ছেড়েছিলাম আমার নিজের বাড়ি,  আজ বহুদিন তার খবর নাই  স্বার্থ শেষে আমায় গেছে ছাড়ি।। এই দুনিয়ার সব স্বার্থপর  তা বুঝিতে দেরি হল ভিশন, এই দুনিয়ায় নিজের চেয়ে  কেউ ছিল না কেউ রবে না আপন।  নিজের জীবন নিজে সাজাও সবার আগে ভাবো নিজের কথা।।

তোমায় পাবার আশা

 তোমায় পাবার আশা  খাদিজা বেগম  কেহ জানুক বা না জানুক  তুমি আমার কথা জানো, তোমায় পাবার আশা আমার  এছাড়া নাই আশা কোনো।। কেহ দেখুক বা না দেখুক  তুমি আমার হৃদয় দেখো, এই হৃদয়ের মাঝে তুমি  আমার জীবন হয়ে থাকো। কেহ শুনুক বা না শুনুক তুমি মোনের কথা শোনো।। কেহ বুঝুক বা না বুঝুক  তুমি আমার এই মন বুঝো, কেহ খুজুক বা না খুজুক জানি তুমি আমায় খুজো ।। কেহ মানুক বা না মানুক  তুমি আমার এই প্রেম মানো, ভালোবাসার পাপড়ি দিয়ে  তোমার জন্য ফুল সাজানো। এই হৃদয়ে ডাকে না তো  তোমার নামটা ছাড়া কোন।।

রাজা মশাই

 রাজা মশাই  খাদিজা বেগম  রাজা মশাই রাজা মশাই  আপনার কাছে আমি জবাব চাই, এত ফসল চাষ করেও  কৃষক কেন ক্ষুধার জ্বালায় ছাই।। আপনার আছে বড় বাড়ি  বড় গাড়ি দালান কোঠা ঘর,  তবু কেন আপনার প্রজা  রাস্তায় থাকা রাস্তার যাযাবর। দিবানিশি মাছ ধরেও  কেন জেলের খাবারের মাছ নাই।। জ্ঞানীগুণী যাচ্ছে মারা  ধুঁকে ধুঁকে বিনা চিকিৎসায়,  মৃত্যু বাষিক পালনে কেন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হয়?? ব্যাংক ডাকাতি করে যারা  তাদের রাখেন আরাম আয়েশে, পকেট মারকে জেলে রাখোন  কৃষক মারেন ঋণের দায়ে পিসে। আইন যেন মাকড়সার জাল  সেথায় ডাকাত ধরার উপায় নাই।।

বুক ভরা আশা

 বুক ভরা আশা  খাদিজা বেগম  এই বুক ভরা আশা নিয়ে  আমি পথে পথে ছুটে চলেছি,  কত দ্বারে নক করেছি  কত জনকে কত যে কি বলেছি।। কেউ খোলেনি আমার জন্য  কারো মনের মানবতায় গড়া দ্বার,  অবহেলার দৃষ্টি দিয়ে  পশুর মত তাড়িয়েছে বারে বার। খাঁটি মনের মানুষ হবো  তাইতো আমি সারা জীবন জ্বলেছি।। হাঁটতে গিয়ে পড়ে গেছি পড়ে গিয়ে আমি আবার দাঁড়াইছি,  বারে বারে পড়ার পরেও  সামনে চলার জন্য ফের পা বাড়াইছি।। আশার প্রদীপ নিভু নিভু  তবু নিভে যেতে দেয়নি কখনো,  সূর্য হয়ে জ্বলবে আশা  আমি এমন স্বপ্ন দেখি এখনো। পাখি হয়ে উড়বো একদিন  সেই আশাতে আশার ডানা মেলেছি।।

মনটা জুড়াইয়া দে

 মনটা জুড়াইয়া দে  খাদিজা বেগম  দেরে দে দে ভালোবেসে  আমার মনটা জুড়াইয়া দে, নেরে নে নে ভালোবেসে  তোর ঐ মনটা জুড়াইয়া নে।। ভালোবাসা অভাবে মন পুড়ে পুড়ে হয়েছে ছাই,  কে আমাকে বাসবে ভালো  কোথায় কি নাই কেহ নাই। বলনা তোরা এই প্রেম ছাড়া  ভালো থাকতে পেরেছে কে।। একটুখানি প্রেম চাই যদি  তবে কেন আমার হয় দোষ, সাপের মতো কেন ওরা  আমার সাথে করে ফোঁস ফোঁস।। নিন্দুকেরে বলনা তোরা  ভালোবাসা নয় কোন পাপ, অপবিত্র প্রেম করে যারা  তাদের প্রতি হয় অভিশাপ।। প্রেমের জ্বালায় দেহ জ্বলে  মন পড়েছে ভীষণ দায় রে।।

হৃদয়ে দরজা

 হৃদয়ে দরজা  খাদিজা বেগম  এই হৃদয়ের দরজা খুলে  রেখেছি গো তোমার জন্য,  ভালোবেসে এলে তুমি  এই হৃদয়টা হবে ধন্য।। এসো এসো ভালোবেসে  খুব যতনে বাসবো ভালো, রাত নিশিথে চন্দ্র হয়ে  মাখবো তোমায় চাঁদের আলো। একা একা ভাল্লাগে না  হৃদয় লাগে শূন্য শূন্য।। কানায় কানায় বাসবো ভালো  আমি তোমার হৃদয় ভরে, খুব আদরে রাখবো তোমায়  আমার মনের গহীন ঘরে।। ইচ্ছে হলে তোমায় নিয়ে  ডুবে যাব প্রেম যমুনায়, গাইবো আমি নাচবো আমি  শুধু কাছে পেলে তোমায়। তোমায় পেলে আপন করে  এ জীবনটা হবে পূর্ণ ।।

এই বুক ভরা আগুন

 এই বুক ভরা আগুন  খাদিজা বেগম  এই বুক ভরা আগুন নিয়ে  দিবানিশি জ্বলে পুড়ে যাই, কে নেভাবে বুকের আগুন  আমার আপন বলে কেহ নাই।। সুখে থাকার অভিনয়ে অভিনয়ে কাটে সারা দিন, সারাটা রাত ব্যথা করে  আমার বুকের মাঝে চিন চিন চিন।  ভিতর থেকে পুড়ে পুড়ে  খুব নীরবে আমি হলাম ছাই।। যে বুঝি তো এই আমাকে  তার সাথে নাই আমার দেখারে, কপাল দোষে দোষী আমি জোড়া হারা একা একারে।। জোড়ায় জোড়ায় ওরে ওড়া  বাসা বাঁধে গাছের ডালেতে, জোড়ায় জোড়ায় গায় আর নাচে  শ্রাবণ ধারার তালে তালেতে।  কেউ ভাবে না আমায় নিয়ে  কেউ বোঝেনা আমি কি যে চাই।।

প্রেম হবে

 প্রেম হবে  খাদিজা বেগম  হবে হবে হবে হবে  প্রেম হবে আর কবে, প্রেম বিহনে জ্বলে পুড়ে  এই মন কি ছাই হবে।। একলা জীবন লাশের মতন  কাছে এসো প্রিয়, প্রেম পিপাসায় প্রাণ চলে যায়  এই একটু প্রেম দিও। প্রেম বিহনে মরে যাব  থাকবো না এই ভবে।। তুমি কোথায় থাকো প্রিয়  দেখা দাওনা এসে,  পিপাসিত প্রাণ জুড়াবো  তোমায় ভালোবেসে।। তোমার আসার অপেক্ষাতে  নয়ন চেয়ে থাকে, এই মন আমার মনে মনে  তোমায় শুধু ডাকে।  শূন্য হৃদয় পূর্ণ হবে  তুমি আসবে যবে।।

ও জননী

  ও জননী খাদিজা বেগম ও জননী জন্মভূমি তোমার সন্তান আমি, তোমার চেয়ে নাই কিছু আর এই জগতে দামি।। ও জননী তোমার জন্য প্রাণ দিয়েছে যারা, এই জগতের শ্রেষ্ঠ মানুষ তোমার সন্তান তারা। তোমায় কত ভালবাসি জানেন অন্তর্যামী।। আমার কর্ম আমার কথা শুধু তোমায় ঘিরে, তোমার কোলে জন্ম নিয়ে আসিতে চাই ফিরে।। এই পৃথিবীর সেরা তুমি তুমি আমার স্বর্গ, তোমায় নিয়ে জনে জনে করে বেড়াই গর্ব। তোমার সম্মান বৃদ্ধি করতে থাকবো অগ্রগামী।।

চোখের পাতা

 চোখের পাতা  খাদিজা বেগম  আজও তোমার স্মৃতি গুলো  আমার চোখের পাতা ভিজায়,  কেমন করে ভুলে যাব  আজও এই মন তোমাকে চায়।। চলতি পথে চলতে চলতে  ডানে বামে তোমায় খুঁজি, সামনে পিছে ঘুরে তাকাই তুমি এলে গো এই বুঝি। মনে মনে খুব গোপনে  মন তোমাকে খুঁজে বেড়ায়।। তুমি আমার ভালোলাগা  তুমি আমার আনন্দ সুখ,  তুমি ছাড়া যেন আমার  এই দেহ মন জুড়ে অসুখ।। তুমি কেন বোঝনা গো  তুমি ছাড়া প্রেম নিরুপায়, তুমি ছাড়া একলা আমি  আমার লাগে খুব অসহায়।  ভালোবেসে রাখছি তোমায়  আমার বুকের এই কলিজায়।।

নোংরা আবেগ

 নোংরা আবেগ  খাদিজা বেগম  বিয়ে করে দায়িত্ব নিয়ে  স্ত্রী কেই করো অবহেলা,  সন্তানদের জন্ম দিয়ে  পরকীয়ায় ব্যস্ত সারা বেলা।।  বলো তুমি কেমন বাবা  কেমন স্বামীর দায়িত্ব পালন করো?  বিশ্বাসঘাতক প্রতারক লোক  না হলে কি প্রেমিকার হাত ধরো। নিজের স্ত্রী সন্তান নিয়ে  তুমি খেলছো এ কোন নোংরা খেলা।। নিরপরাধ স্ত্রী সন্তান  কাঁদবে যখন তোমার পাপের ফলে, তোমার জীবন ছারখার হবে  তোমার নোংরা আবেগ যাবে জ্বলে।। কাউকে দুঃখ দিয়ে কভু  কেউ পারেনা সুখে বেঁচে থাকতে,  গোপন বলে নাইরে কিছু  কেউ পারেনা নিজের কর্ম ঢাকতে।  দায়িত্ববান মানুষ হয়ে  ফেলে এসো পরকীয়ার মেলা।।

আইলা না

  আইলা না খাদিজা বেগম না না না না  আইলা না না না না না আইলা না, যৌবন থাকিতে তুমি আমার কাছে আইলা না।। না না না না থাকবে না, যৈবন যাবে ফুরিয়ে, লাভ হবে না ঝরা ফুল আদর করে কুড়িয়ে। না না না না আইলানা ক্ষণ থাকিতে আইলানা।। একা একা রাত কাটে নয়নে ঘুম আসেনা, মন যারে ভালবাসে সে কেন বাসে না।। একলা জীবন জীবন নয় জীবন জুড়ে যন্ত্রণা, তুমি ছাড়া কেহ নাই দেবে আমায় সান্তনা। না না না না আইলানা প্রাণ থাকিতে আইলানা।।

আজ এই দিনে

  আজ এই দিনে খাদিজা বেগম আজ এই দিনে আজ এই ক্ষণে পৃথিবীতে এসেছিলে তুমি, তোমার ছোঁয়া পেয়ে যেন সবুজ হয়ে গেল মরুভূমি।। বেলি ফুলের গাঁথা মালা আমার থেকে তোমার জন্য তোফা, নিজের হাতে পোড়াতে চাই দাও এগিয়ে তোমার চুলের খোপা। তোমার খোপায় দুলে দুলে এই মালাতে লাগুক সুখের উর্মি।। তোমায় দিলাম পূর্ণিমা রাত তারায় তারায় সাজানো দুল গয়না, আগামী দিন রঙিন থাকুক আমানিশায় যেন মলিন হয় না।। তুমি যখন হেসে উঠো তোমার কোমর কোমল মিষ্টি ঠোঁটে, তখন যেন হাজারো মেঘ ভেঙ্গেচুরে ঝলমলে রোদ উঠে। হাজার বছর ধরে আসুক জন্মদিনের খুশির এই মৌসুমী।।

উড়ু উড়ু এই মন

 উড়ু উড়ু এই মন  খাদিজা বেগম  উড়ু উড়ু এই মন আমার  একা একা থাকতে চায়না, যখন তখন তোমার কাছে  যাবার জন্য ধরে বায়না।। বল কোথায় আছ তুমি  তোমায় খুঁজে দিশেহারা,  প্রিয় প্রিয় এতো ডাকি  তুমি কেন দাও না সারা?  তোমার দেয়া অবহেলা  আমার প্রাণে আর তো সয়না। তোমায় খোঁজে মন যাযাবর  দুই নয়নে অশ্রু ঝরে, কই লুকিয়ে থাকো তুমি  তোমাকে চায় এই অন্তরে।। তোমায় ছাড়া অসহায় প্রাণ তুমি কেন তা বোঝনা, তোমাকে না পেলে আমি  পৃথিবীতে আর বাঁচবো না। তুমি আমার প্রাণের পাখি  আমার স্বপ্নে পোষা ময়না।।

নর-নারীর বিয়ে

 নর-নারীর বিয়ে  খাদিজা বেগম  নর-নারীর বিয়ে হলেই থাকা যায় না একটি ঘরে, যদি না কেউ সম্মান দেখায়  একজন আরেক জনার তরে।। ফেরেশতা আর শয়তানের ভুল নাই  মানুষের ভুল পায়ে পায়ে,  এই ভুল থেকে মুক্তি নাইরে  শুধু মানুষ হবার দায়ে। ছোট খাট ভুলগুলোকে  বাদ দিয়ে দাও আর না ধরে।। ভুল ধরে ভুল বোঝাবুঝ  ছেড়ে দিয়ে ভালোবাসি,  দুজনারে দুজন মিলে  রাখি নিজের পাশাপাশি।। স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক  সব সম্পর্কের চেয়ে বড়,  এই সম্পর্ক ভালো রাখতে  একে অন্যের কদর করো। রোজাদারের রোজা যায় না  ভুলে খেলে তার পেট ভরে।। মনে রাখবে  ফেরেশতা যা করে তার সবই ইবাদত করে।  শয়তান যা করে তার সবই অপরাধ করে। আর মানুষ যা করে তা তিন ভাগে ভাগ হয়। এক: ইবাদত, দুই: ভুল, তিন: অপরাধ।  তাই যারা নিজের জীবন ও নিজের সংসার, সন্তান ও জীবনসঙ্গীকে সম্মানের সাথে টিকিয়ে  রাখতে চান। তারা এই তিন বিষয়ে দিকে খেয়াল রাখবেন, নিজের জীবনসঙ্গীকে অবশ্যই এবাদত  করার সুযোগ দিবেন, নিজের জীবনসঙ্গীর ভুল ত্রুটি গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আর নিজে ও  নি...

আঁখির অশ্রু

 আঁখির অশ্রু  খাদিজা বেগম  এখনো কি ধীর চরণে  তুমি হেঁটে হেঁটে কথা বলো, এখনো কি বন্ধুর হাতের  আঙ্গুল ধরে ধীরে ধীরে চলো।। এখনো কি হাসতে হাসতে  পুঁই এর ডাটার মত নুয়ে পড়ো, এখনো কি বজ্রপাতে  পাশের জনকে খুব জড়িয়ে ধরো। এখনো কি বন্ধুর ঐ হাত  অন্য জনে ধরলে হিংসায় জ্বলো।। এখনো কি বৃষ্টি এলে  বৃষ্টির তালে তালে গাও আর নাচো, এখনো কি তুমি আমার  আসার আশায় অপেক্ষাতে আছো।। এখনো কি আমায় ভেবে  তোমার দুটি নয়নের জল ঝরে,  এখনো কি ভাঙ্গে নাই ভুল  ভুল শুধরিয়ে এসো আমার তরে। তোমার হাতে মুছিয়ে দাও  আমার আঁখির অশ্রু টলোমলো।।

প্রতিটা দিন যুদ্ধ

 প্রতিটা দিন যুদ্ধ  খাদিজা বেগম  যুদ্ধ যুদ্ধ মহা যুদ্ধ  জীবন মানে প্রতিটা দিন যুদ্ধ,  নিজের সাথে যুদ্ধ করে  এই নিজেকে রাখা পরিশুদ্ধ।। রাতের সাথে যুদ্ধ করে  সূর্য যেমন খুব সকালে উঠে,  ভাটার সাথে যুদ্ধ করে  সাগরের জল জোয়ার হয়ে ছোটে। লাভের সাথে করবো যুদ্ধ  কভু আমরা হবো না কেউ লুব্ধ।। দুঃখের সাথে যুদ্ধ করে  বেঁচে থাকব আমরা সুখের সাথে, যুদ্ধ যুদ্ধে এই খেলাটা  সারা জীবন চালবে দিনে রাতে।। ক্ষুধার সাথে যুদ্ধ করি  খাবার আর জল সন্ধান করতে করতে, বাঁচতে হবে লড়াই করে  তোমায় মরতেও হবে লড়তে লড়তে। অন্যায় দেখলেই উঠবো জ্বলে   তা ছাড়া কেউ হবো না তো ক্ষুব্ধ।।

মনের হুক

 মনের হুক  খাদিজা বেগম  ধুক ধুক ধুক ধুক ধুক ধুক ধুক ধুক  ধুক ধুক করে কাপে আমার বুক, তোমার ছোঁয়ায় শিহরণ হয়  বুকের মাঝে জেগে ওঠে সুখ।। তুমি এলে রঙিন হয় মন রঙে অঙ্গে জাগে প্রেমের ঢেউ, ও রঙ্গিলা ও রঙ্গিলা প্রেম ছাড়া কি বাঁচতে পারে কেউ। দিবানিশি দুই নয়নে  দেখি শুধু তোমার সুন্দর মুখ।। তোমার মুখে এত মায়া  সেই মায়াতে টানে আমার প্রাণ,  মন হয়ে যায় পাগল পাগল  যখনি পাই তোমার ফুলের ঘ্রাণ।। সবার চেয়ে প্রিয় তুমি  তুমি আমার প্রাণের প্রিয়জন, তোমার ফুলের মধুর মাঝে  ডুব দিতে চায় আমার মৌমাছি মন। তোমায় নিয়ে বন্দি হয়ে  বন্ধ করে দেবো মনের হুক।।

মনের সাথে মন মিশিয়ে

  মনের সাথে মন মিশিয়ে খাদিজা বেগম মনের সাথে মন মিশিয়ে তোমায় ভালোবাসবো বাসবো রে, খুব নিরবে নিরোজনে তোমার কাছে আসবো আসবো রে।। চাঁদনি রাতে একি সাথে চাঁদের জোছনা মাখব মাখবো রে, রাত গভীরে দুজন মিলে খুব আনন্দে জাগবো জাগবো রে। প্রেম যমুনায় নাও ভাসিয়ে তোমায় নিয়ে ভাসবো ভাসবো রে।। নীল আকাশের তারা গুলো তোমায় নিয়ে গুনব শুনবো রে, তোমার কোলে মাথা রেখে প্রেমেরি গান শুনবো শুনবো রে।। হাজারো রাত জেগে জেগে তোমায় স্বপ্ন দেখি দেখি রে, তা জানো না তুমি সখি আমার প্রাণের সখি সখি রে। চোখাচোখি বসে দুজন খুব আনন্দে হাসবো হাসবো রে।।

বিশ্ব নির্লজ্জ

 বিশ্ব নির্লজ্জ  খাদিজা বেগম  তোমার প্রেমে পরে আমার মন হয়েছে বড় বেহাইয়া,  ঘুরে ফিরে আসবো আমি  যতই দাও আমায় তাড়াইয়া।। তোমার প্রেমে পড়ে আমি  হয়ে গেলাম বিশ্ব নির্লজ্জ, তোমার প্রেমে হারিয়েছি এই জীবনের সকল অধৈর্য। তোমারি প্রেম পাবার জন্য  আমার হৃদয় রাখি বাড়াইয়া।। তোমার প্রেমে মন আনাড়ি  আমি ভালো মন্দ বুঝি না,  তোমায় শুধু খুঁজে বেড়াই  আমি অন্য কিছু খুঁজি না।। যত কর অবহেলা  তবু ভালোবাসবো বাসবো রে, মারো ধরো বকো জগো  তবু কাছে আসবো আসবো রে। প্রেম ভিখারি হয়ে আমি  তোমার দ্বারেই থাকবো দাঁড়াইয়া।।

কিছু দুঃখ

 কিছু দুঃখ  খাদিজা বেগম  দুঃখ পেলে কাঁদি আমি  সুখ পেলেও আবার হাসি, হাসি কান্নার এইতো জীবন  তবু জীবন ভালবাসি।। এই জীবনের রেলগাড়িতে  কেহ ভালো বেসে উঠে, আবার কেহ সব নিয়ে যায়  আমার স্বপ্নগুলো লুটে। স্বপ্ন হারা আমি তখন  দুই নয়নের জলে ভাসি।। কিছু স্বপ্ন পূর্ণ হবে  কিছু থাকবে অপূর্ণতায়, এই জীবনটা এমনি কাটুক  আনন্দ আর ব্যথায় ব্যথায়।। দিন মিশে যায় রাতের মাঝে  রাত মিশে যায় দিনের মাঝে, তেমনি মিশে থাকে সুখদুঃখ  এই জীবনের সকল কাজে। দুঃখ ছাড়া হয়না জীবন  কিছু দুঃখ নিয়েই বাঁচি।। যেই নদীতে জোয়ার আসবে  সেই নদীতে লাগবে ভাটা, যেই ফুলেতে সৌরভ আছে  সেই ফুলেতে আছে কাটা। পূর্ণিমা আর অমানিশা  দুয়ে মিলেমিশে রাত্রি, কেন মরার আগে মরব আমি মৃত পথো যাত্রী।। দুঃখ আর সুখ দুইয়ে মিলে  জীবন করবো খুব উপভোগ, যায় যাক কিছু হারিয়ে ধন  থাকে থাকুক হারাবার শোক।। সততাকে আঁকড়ে ধরে  তবু বেঁচে থাকবো আমি, জীবন যুদ্ধে মানবো না হার হবো না মন তার আসামি।।

যুদ্ধ মানে

 যুদ্ধ মানে  খাদিজা বেগম  যুদ্ধ মানে জীবন নিয়ে  ব্যাটে ব্যাটে ছক্কা মারা, যুদ্ধ মানে বাবা দাদার  মায়াবী ঘর ভিটা ছাড়া।। যুদ্ধ মানে রক্তে রক্তে  রক্ত দিয়ে হোলি খেলা, যোদ্ধা মানে নিরপরাধ  মানুষ গুলোর লাশের মেলা। রাজায় রাজায় যুদ্ধ করে  সাধারণ লোক দিশেহারা।। যোদ্ধ মানে হাত, পা, চোখ, কান প্রান হারিয়ে অচল দেহ, যুদ্ধ হলো সবার শত্রু  যুদ্ধকে নয় আর সমীহ।। অস্ত্র রেখে চিন্তা করো  বজায় রাখো মানবতা,  ধর্মের চেয়ে মানুষ বড়  কেহ ভুলে যেও না তা।  নির্বিচারে মারে যারা  ও ভাই মানুষ নয় তো তারা।।

মানুষের মানুষ দেখো

  মানুষেরে মানুষ দেখো খাদিজা বেগম নারী দেখলে দেখো তোরা রসে ভরা রসালো গা, নারীরাও শ্রেষ্ঠ মানুষ তোদের কারো না কারো মা।। যে মেয়েটি আজকে শিশু কালকে হবে মা জননী, নারীর প্রতি সম্মান রেখে কথা বলো দিন রজনী। সেই মানুষটা মানুষ তো নয় যে নারীদের সম্মান করে না।। নারী বল পুরুষ বল বল শিশু কিংবা বৃদ্ধ, মানবতাব বজায় রাখতে নিজের সাথে কর যুদ্ধ।। অন্যজনকে দোষী করে পাপীরা কেউ পর পাবে না, অন্যের জান, মাল নষ্ট করে সুখের স্বর্গে কেউ যাবে না। নারীরা নয় ভোগ্য পণ্য মায়ের জাতি এই নারীরা।। সন্তান আর মা দুইয়ের মাঝে পবিত্র এক বন্ধন আছে, সব মায়েদের সম্মান করো মায়ের জন্য ভুবন বাঁচে।। যেই নারীদের গর্ভে চড়ে এলে তোমরা দুনিয়াতে, কি সমস্ত নোংরা কথা আজ বলেছ তাদের সাথে।। মানুষেরে মানুষ দেখো দেখো কেন তার যৈনতা, দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে ফেলো ছড়াইয়ো না আর হিংস্রতা।। মানুষ যে জন সে খোঁজে না ঐ যৈনত জানে জানে, যে যৌনতার সঙ্গী একজন তারেই ভাবো মনে মনে। পশুর মত যৈনতাকে যখন তখন দিও না ঠাঁই, যার তার সাথে যৌন চিন্তা মানব জীবন করিবে ছাই।। #খদিজাবেগম #everyonefollowers #অধিকারবঞ্চিতন...

মন ভোমরা

 মন ভোমরা  খাদিজা বেগম  তোমারি প্রেম এই জীবনে  যেন এক ফুল হয়ে ফুটেছে, সেই ফুলেরি ঘ্রাণে-ঘ্রাণে   মন ভোমরা বারবার ছুটেছে।। তুমি যেন পূর্ণিমার চাঁদ  আমি যেন চাঁদের জোছনা,  তোমায় দেখে মনে হলো  তুমি আমার সুখের সূচনা। তোমারি প্রেম মন আকাশে  যেন শশী হয়ে উঠেছে।। তোমারি প্রেম পাওয়ার জন্য  হাত পেতেছি তোমার দুয়ারে, আলতো প্রেমের ছোঁয়ায় ছোঁয়ায়  মন ভেসে যায় সুখের জোয়ারে।। যতটা প্রেম দাও আমাকে  ততই বাড়ে প্রেমের পিপাসা, এক জনমে ভিজবে না মন  তোমায় ভালো বেসে বিপাশা। তাই বুঝি গো মৌমাছি মন পাগল হয়ে মধু লুটেছে।।

ঝড়ের মত প্রেম

 ঝড়ের মত প্রেম  খাদিজা বেগম  ঝড়ের মত প্রেম এসেছে  ঝড়ের মত গেছে চলে, মন হয়েছে গুঁড়া গুঁড়া  এখন ভাসি চোখের জলে।। ও আমি দোষ দেবো কারে  কপাল দোষে আমি দোষী,  তাকে দেখে মনে হল  খুব মায়াবী এক মানুষী। তার প্রেমেতে এত জ্বালা  রইয়া রইয়া আগুন জ্বলে।। আমি তারে ডাকিনি তো  তার ইচ্ছাতেই এসেছিল,  তার ইচ্ছাতে ভালবেসে  আমার মনটা ভেঙ্গে দিল।। প্রেম যেন এক বৈশাখী ঝড় ভাঙা চূড়া কাজ যেন তার, এত ভাঙ্গা ভেঙ্গেছে মন যায় না জোড়া লাগানো আর। মন না দিলেও মন নিয়ে যায়  ভালোবাসার মিষ্টি ছলে।।

কসম কসম

  কসম কসম খাদিজা বেগম কসম কসম রবের কসম মন পড়েছে তোমার প্রেমে, হৃদয়টা চায় তোমার সাথে বন্দী হতে একি ফ্রেমে।। মন তোমাকে ভালোবাসে তাইতো আমি ছুটে আসি, মন জুড়িয়ে যায় তখনি যখন দেখি তোমার হাসি। এ মন আমার ডুব দিয়েছে প্রেম যমুনার জলে নেমে।। তোমার পায়ের পায়েল গুলো নাচে তোমার চলার সাথে, ওই পায়েলের নাচন দেখে হৃদয় নাচে দিনে রাতে।। তোমার হাতের কাঁচের চুড়ি রিনিঝিনি করে গান গায়, চুড়ির গানে আমায় টানে এই মন সেই গান শুনিতে চায়। তোমাকে না দেখলে আমি আমার সময় থাকে থেমে।।

কাছে থেকো

 কাছে থেকো  খাদিজা বেগম  আমি যদি দক্ষিণে যাই  তুমি তখন যাও উত্তরে, বলো কেমন করে আমি  তোমায় রাখবো বুকে ধরে।। আমি যদি উত্তরে যাই  তুমি তখন যাও দক্ষিণে, বল কেমন করে আমি  তোমায় রাখবো দুই নয়নে। আমারো তো এই মনে চাই  তোমায় রাখি আদর করে।। আমি যদি ঐ পুবে যাই  তুমি তখন যাও পশ্চিমে,  কেমন করে মন ভেজাবো  আমি তোমার মধুর প্রেমে।। আমি যদি পশ্চিমে যাই  তখন তুমিও যাও পুবে,  কেমন করে তোমায় সাথে  যাব প্রেমের রসে ডুবে। দোহাই লাগে কাছে থেকো আর যেওনা দূরে সরে।।

মমতাজ

 মমতাজ  খাদিজা বেগম  এই হৃদয়ের তাজমহলে  তুমি আমার মমতাজ,  তোমায় দেখলে ভালো লাগে  ফুরফুরা হয় মন মেজাজ।। আমার মনের নীল আকাশে  তুমি আমার পূর্ণিমা,  তোমার আমার ভালবাসা  উপর ওয়ালার মহিমা। ভালোবাসা নয় অপরাধ  নয় তো কোন অন্যায় কাজ।। ধন্য হব পূর্ণ হব  আমি তোমার পরশে,  তোমায় নিয়ে ডুবে যাব  ভালবাসার প্রেম রসে।। এই মন আমার যা চেয়েছে  তুমি যেন তাই গো তাই,  তোমায় পেয়ে সব পেয়েছি  আর তো চাওয়া নাই গো নাই। তোমার ঘাটেই নোঙ্গর করা  থাকবে আমার প্রেম জাহাজ।।

প্রথম প্রথম

 প্রথম প্রথম  খাদিজা বেগম  প্রথম প্রথম তোমায় দেখে  অপলক চোখ থাকতো শুধু তাকিয়ে,  ওই বিধাতা তোমায় যেন  গড়েছিল কত মায়া মাখিয়ে।। হে মায়াবী তোমার প্রতি  প্রথম দেখায় হৃদয়ে প্রেম জেগেছে,  মন থেকে এই মন বলেছে  তোমাকে খুব আমার ভালো লেগেছে।  ভালো লাগে তোমার হাসি  হাসো যখন তোমার ওই ঠোঁট বাঁকিয়ে।। রংধনুর সাত রঙের মতন  হয়ে গেল প্রজাপতি আমার মন,  ঘুরে ঘুরে উড়ে বেড়ায়  তোমার গোলাপ ফুল বাগানে সে এখন।। প্রথম দেখায় মন দিয়েছি  তোমার হয়ে থাকবো আমি চিরদিন,  শোধ করিতে দেব না গো  এই জীবনে তোমায় আমার প্রেমের ঋণ। আমি যেন নেই আমাতে  তোমায় দেখে তালগোল যাচ্ছে পাকিয়ে।।

ছোট্ট সুখের বাসা

 ছোট্ট সুখের বাসা খাদিজা বেগম  ভালোবাসা ভালোবাসা  তুমি আমার ভালবাসা, ভালোবেসে বাসবো ভালো  মনে মনে এই তো আশা।। ভালোবাসার আঁচল ধরে  পাড়ি দেবো জীবন নদী,  খুব যতনে একটুখানি  আমায় ভালো বাসো যদি। খুব গোপনে গোপনে রাজ  মেটাবো প্রেম প্রেম পিপাসা।। ভালোবাসার রং মাখিয়ে  রঙিন করে দেবো ভুবন,  রঙে রঙে মন রাঙিয়ে  রঙিন হব আমরা দুজন।। ভালোবাসার অনুভূতি  তোমায় দেখেই যেন জাগলো, এত ভালো আর লাগেনি  তোমায় যত ভালো লাগলো। চল না যাই তোমায় নিয়ে  বাঁধি ছোট্ট সুখের বাসা।।

আনারকলি

 আনারকলি  খাদিজা বেগম  আনার কলি আনার কলি  তুমি আমার আনার কলি,  তোমার প্রেমে মন হয়েছে যেন অলি অলি অলি ।। তোমায় দেখে পাকনা মেলে  আমার মনের অলি উড়ে, শুধু তোমার চারিপাশে  প্রেম দেওয়ানা হয়ে ঘুরে। কত কিছু বলে এ মন  কেমনে তা তোমায় বলি।। না বলা সব কথাগুলো  ওগো বুঝে নিও তুমি, তুমি ছাড়া আমার এ বুক  মরুভূমি মরুভূমি।। তুমি এলে বৃষ্টি নামে  আমার বুকের জমি ভিজে, মন ময়ূরী নেচে ওঠে  গেয়ে ওঠে ডিজে ডিজে। আনার কলি আনার কলি  তোমার প্রেমে আমি জ্বলি।।

জীবনের সন্ধান

 জীবনের সন্ধান  খাদিজা বেগম  শুন্য লতার মত জীবন  এই জীবনের কোন শিকড় নাই রে, তাই বুঝি গো জীবন নদীর কোথায় নাই একটুখানি ঠাই রে।। চলছে জীবন ভেসে ভেসে  যেমন ভাসে জলের বুকে ভেলা, তাই বুঝি গো এই জীবনে ক্ষণে ক্ষণে এত অবহেলা। কোথা থেকে এলো জীবন  এই জীবনের সন্ধান আমি চাই রে।। কে গড়েছে এই আমারে  আমি কোথায় গেলে পাবো তারে?  নির্জনে ও জানে জানে  আমি তারে খুঁজি বারে বারে।। সে যদি গো না দেয় দেখা  তারে দেখার সাধ্য নাইরে কারো, তারে দেখার ইচ্ছে হলে  ও মন আমার লোভ-লালসা ছাড়ো। সত্য শোনো সত্য বলো  সত্যের মাঝে তারে আমি পাই রে।।

ভালোবাসা মরবে না

 ভালোবাসা মরবে না  খাদিজা বেগম  হাজার কষ্ট ব্যাথা দিয়েও  তোমার থেকে সরাতে তো পারবে না,  আমার এই হাত তুমি ছাড়া  এই জীবনে আর কারো হাত ধরবে না।। দুঃখ কষ্টে পুড়ে পুড়ে  ভালোবাসা হয় যে আরো খাঁটি,  বাঁচি কিংবা মরি আমি  তোমার বুকেই আমার প্রেমের ঘাঁটি। তাইতো আমার এই দুটি চোখ  তোমার থেকে এদিক ওদিক সরবে না।। যতই তুমি কষ্ট দিবে  সোহাগ ভেবে লুফে নেব আমি, জানো না গো প্রিয় তুমি  তুমি আমার কাছে কতো দামি।। ভালোবাসার অনুভূতি  মানব মনে স্বর্গ থেকে আসে,  তাইতো মানব মানবীরা  প্রেমের জোড়া বেঁধে ভালোবাসে।  তোমার দেয়া ব্যথায় আমি  মরে গেলেও ভালোবাসা মরবে না।।

ভালোবাসা মলম

 ভালোবাসার মলম  #খদিজাবেগম এই হৃদয়ের ভালোবাসা  ওই পাহাড়ি ঝর্নার মতো,  চঞ্চল হয়ে তোমার পানেই  ছুটে চলে অবিরত।। প্রথম প্রেমের অনুভূতি  তাই বুঝি গো এত মায়া,  মেঘ হয়ে যায় আমার এ মন  তোমায় দিতে শীতল ছায়া। রঙিন রঙিন স্বপ্ন দেখি  তোমায় নিয়ে কতশত।। পিপাসিত হৃদয় আমার  শুকিয়ে যায় প্রেম পিপাসায়,  চাতক পাখি হয়ে থাকি  শুধু তোমায় পাবার আশায়।। কাছে এসে ভালোবেসে  দাও ডুবিয়ে সাহারা বুক, মায়াবী ঐ হাতের ছোঁয়ায়  বুকে সুখের জোয়ার উঠুক। ভালবাসার মলম মেঘে  দূর করে দাও মনের ক্ষত।।

এই হৃদয়ের ঘরে

 এই হৃদয়ের ঘরে  #খদিজাবেগম  শশী করে রাখবো না গো  মেঘে মেঘে ঢেকে যাবে বলে, রাখবো না গো ঝর্না করে  যদি মিশে যাও সাগরের জলে।। ভালোবেসে রাখবো তোমায়  খুব যতনে এই হৃদয়ের ঘরে,  কানায় কানায় ভরে দেব দিবানিশি আদর সোহাগ করে। তোমার কাছেই আসবো ছুটে  বারে বারে নানা রকম ছলে।। পুষ্প করে রাখবো না গো  সন্ধ্যা বেলায় যদি যাও গো ঝরে,  পাখি করে রাখবো না গো  যখন তখন যদি যাও গো উড়ে।। আমার গলার মালা করে  রাখবো তোমায় আমার গলায় পড়ে,  বুকের মাঝে দোল খেলাবে  ভালবেসে আমার গলা ধরে।  তোমার দোলার ছোঁয়া লেগে  মোমের মত আমি যাব গলে।।

আমি আশ্রয় চাই

 আমি আশ্রয় চাই  খাদিজা বেগম  টাকা চাইনা পয়সা চাইনা  আমি চাই না বাড়ি গাড়ি, রোগ,শোক, দুঃখ কষ্ট থেকে  আমি আশ্রয় চাই তোমারি।। হিরা চাইনা পান্না চাইনা  আমি চাইনা সোনার খনি, মূর্খ চিন্তা ধ্বংস করে  আমাকে জ্ঞান দাও হে জ্ঞানী। তুমি আমার সৃষ্টিকর্তা  আমি সৃষ্টি যে তোমারি।।  জায়গা চাইনা জমি চাইনা  আমি চাইনা মুক্তার মালা,  দয়া করে দাও নিভিয়ে  এই অন্তরের সকল জ্বালা।। এই পৃথিবী চাইনা আমি  চাই যে তোমার ভালবাসা, ভালবেসে মিটিয়ে দাও  আমার ছোট মনের আশা। তুমি আমার ক্ষমার সাগর  আমি ক্ষমা চাই তোমারি।।

খাঁটি মানুষ

 খাঁটি মানুষ  খাদিজা বেগম  তোমায় ডাকতে দিও দয়াল  আমার হৃদয় ভরে, এই মিনতি রেখে গেলাম  আমি তোমার তরে।। আর কিছু দাও বা নাহি দাও  তোমায় ডাকতে দিও,  তোমায় যেন ভুলে না যাই  ওগো আমার প্রিয়া। তোমার দেখা পাবার আশায়  চোখের অশ্রু ঝরে।। ধৈর্য ধরার শক্তি দিও  কঠিন বিপদ কালে,  জড়িয়ে যে না যাই আমি  কোন পাপের জালে।। আমারে হতে হয় না যেন  কভু কারো ক্ষতি, আমার কথা কাজের মাঝে  ছড়ায় যেন জ্যোতি।  খাঁটি মানুষ করে নিও  ছোট্ট মাটির ঘরে ।।

তোমায় খুঁজেছি

 তোমায় খুঁজেছি  খাদিজা বেগম  কতটা দিন ধরে আমি  শুধু তোমায় খুঁজেছি,  এই তুমি যে কত আপন  হারাবার পর বুঝেছি।। দুঃখে দুঃখে ভরেছে বুক  যখন তুমি ছিলে না,  এত ডাকা ডেকেছিলাম  তবু সাড়া দিলে না। আমি তোমায় ভেবে ভেবে  অশ্রু জলে ভিজেছি।। আমি তোমায় রাখবো ধরে  আর দেব না হারাতে,  ভালোবাসার সুতায় বেঁধে রাখবো তোমায় দিন রাতে।। ঝগড়াঝাঁটি করবো না আর  এই আমার কান ধরেছি, ক্ষমা করে দিও প্রিয়  যতটা ভুল করেছি।  চেয়ে দেখো প্রিয় তুমি  তোমার জন্যই সেজেছি।।

মাথার মুকুট

 মাথার মুকুট  খাদিজা বেগম  কে বলেছে কাবা দূরে  আমার কাবা আমার ঘরে, খুব সকালে দেখি তারে  দেখি আবার সন্ধ্যার পরে।। আমার মহান সৃষ্টিকর্তা  দান করেছেন আমার কাবা, আমায় তিনি আদেশ দিলেন  করতে হবে কাবার সেবা। তার আদেশের বাইরে গেলে  শাস্তি দেবেন আমায় ধরে।। মা সন্তানের মাথায় মুকুট কেউ ভেবনা মাকে বোঝা। মায়ের মনে কষ্ট দিলে  বিফল হবে নামাজ রোজা।। তোমার খারাপ ব্যবহারে যদি কাঁদে মায়ের নয়ন, সন্তান তোমার বৃথা যাবে  এতো সুন্দর মানব জীবন। মায়ের দোয়া নাও হতে সন্তান   তোমার মাকে খুশী করে।।।

কোথা থেকে এলাম

 কোথা থেকে এলাম  খাদিজা বেগম  হৃদয় থেকে ডেকে ডেকে  বারে বারে বলে আমায়, কোথা থেকে এলাম আমি  অল্প দিনের এই দুনিয়ায়?? কোথায় আবার যেতে হবে  যাবো আমি কোন পথ ধরে, দুনিয়ায় নাই থাকার জায়গা  সবাই দেখি যায় করবে। আপন জনা চলে যাবার  আগুন জ্বলে এই কলিজায়।। ধর্মের কথা মাথায় রেখে  আমি থাকি তোমার মত, আমি হব নাতো করো চোখের পানি বুকের ক্ষত।। মনের কথা শুনি যদি  পাবো না তো কোথাও ঠাই, নৈতিকতার সাথে থাকো এই কথাটি মনকে বুঝাই। লোভ লালসা ধুয়ে মুছে  সাদা সুন্দর রাখবো হৃদয়।।

দুর্জয় নারী

 দুর্জয় নারী  খাদিজা বেগম  বিজ্ঞানের হাত ধরে আজকে  দুর্জয় নারী চলে গেছে চাঁদে, আজও কেন সরল নারী  বন্দী থাকে কাপুরুষের ফাঁদে।। নারী বলে কম সে নয় নারীরাও স্রষ্টার সৃষ্টি মানুষ, তবু কেন এই নারীদের  পায়ে পায়ে ধরো যে দোষ। কেন তোমরা শুনতে পাওনা উড়ার জন্য নারীদের মন কাঁদে।। নারীও চায় হাসের মতন  জোড়া বেঁধে বর্ষার জলে ভাসতে, হাসনা হেনা ফুলের মত  ঘ্রাণ ছড়িয়ে খুব আনন্দে হাসতে।। তবু কেন নারীর জন্য  কাপুরুষদের এত বাঁধা নিষেধ,  সবার জন্য পর্দা ফরজ  নারীর বেলায় কেন যে ভেদাভেদ। সূর্য ওঠে সবার জন্য  নারী কেন থাকবে অন্ধকারে, জোসনা ঝরা চাঁদের রাতে রুপার জোছনা মাখিতে দাও তারে। ভয় ভীতি হীন থাকবে নারী  তোমরা সবাই মানুষ হলে দাদে।। নারীর কথা ছেড়ে দিয়ে  হে কাপুরুষ মানুষ হয়ে ওঠো,  ফতুয়া আর ধর্মের নামে  আর কারো না নারীদের কে ছোট।। বিশ্ব নারী, হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু, তিনি ছিলেন বিশ্বসেরা ব্যবসায়ী। তিনি স্বাধীনভাবে কাজ না করতে পারলে, ব্যবসা করতে পারতেন না। তার স্বাধীনতা ছিল বলেই জীবনসঙ্গী হিসাবে সেরা পুরু...

জটিল ধাঁধা

  জটিল ধাঁধা খাদিজা বেগম জীবন যেন জটিল ধাঁধা, সহজে তার উত্তর মেলে না, হাজারো ঝড়, বৃষ্টি, বন্যায় ভাঙ্গে জীবন তবু হেলে না।। জীবন যেন সূর্যের মতো জ্বলে পুড়ে আলো দিয়ে যায়, মানব জীবন শ্রেষ্ঠ জীবন তার তুলনা হয় না দুনিয়ায়। নিজের খুশির জন্য কেহ অন্যের জীবন নিয়ে খেল না। অন্যের হাসি কেড়ে নিয়ে মানুষ কভু হাসতে পারে না, অন্যের শান্তি মেরে ফেলে শান্তিতে কেউ বাঁচতে পারে না।। অন্যের সুখে সুখী হলে পাবে আসল সুখের ঠিকানা, লোক ঠকিয়ে সুখী যে জন তার ভিতরে পাপের কারখানা। বসে বসে হিসাব কষে কেউ জীবনের হিসাব পেল না।।

তুমি ছাড়া কেউ নাই

 তুমি ছাড়া কেহ নাই  খাদিজা বেগম  হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে  বারে বারে পড়ে যাই,  কে ওঠাবে এই আমাকে  তুমি ছাড়া কেহ নাই।। এতো ভালোবাসি তোমায়  তুমি কেন বোঝো না, তোমায় আমি খুঁজে বেড়াই  কেন আমায় খুঁজো না। বিরহী মন পুড়ে পুড়ে  বিয়োগ ব্যথায় পুড়ে ছাই।। শুইলে আমার ঘুম আসেনা  বারে বার ঘুম ভেঙ্গে যায়,  তুমি যদি না বোঝো গো  কে বুঝিবে মন কি চায়।। চোখের জলে ডুবে মরি  তবু বুকে সাহারা,  মন ছুটে যায় তোমার কাছে  সে মানে না পাহারা।  এই জীবনে চাই না কিছু  আমি যদি তোমায় পাই।।

তুমি ভুলে যাবে

  তুমি ভুলে যাবে খাদিজা বেগম জানি তুমি ভুলে যাবে তোমায় মনে রাখবে না, কিছু সময় পরে তুমি আমার সাথে থাকবে না।। তবু তোমায় আমি আমার হৃদয়ে ঠাই দিয়েছি, চলে যাবে তবুও আমার সঙ্গী করে নিয়েছি। আমার স্মৃতি কভু তোমার স্মৃতির পাতায় জাগবে না।। জীবন যেন রেলস্টেশন কেউ এখানে থাকে না, বিপদকালে একলা সবাইকে কেহ কাউকে ডাকে না। চলতি পথে দেখা হলো আমি শুধু এক পথিক, পথের খোঁজে পথে পথে হেটে চলি দিকবিদিক। একলা ছিলাম একলা থাকবো আমার কাউকে লাগবে না।।

হরিণী হরিণী চোখ

  হরিণী হরিণী চোখ খাদিজা বেগম তার হরিণী হরিণী চোখ আমার হৃদয় হরণ করেছে, আমার এ মন শুধু এখন তার ঐ চোখের মায়ায় পড়েছে।। চোখ যেন তারা অথৈ সাগর মন হারাতে চায় সেই সাগরে, প্রেম পিপাসায় সাহারা মন ভিজে যেতে চায় তার আদরে। জানিনা কি দিয়ে বিধি এত সুন্দর তারে গড়েছে।। প্রেমিক এ মন সাঁতার কাটে ডাগর ডাগর সাগর নয়নে, এই মেয়েটি সেই মেয়েটি যারে দেখেছিলাম স্বপনে।। গোলাপ রাঙ্গা ওই ঠোঁটে তার হাসলে যেন ফোটে গোলাপ ফুল, ফুল ভেবে মন অলির মতন বারে বারে হয়ে যায় ব্যাকুল। তাকে দেখে দুটি চোখে এ বুক আমার সুখে ভরেছে।।

প্রেমে পড়ার ডরে

  প্রেমে পড়ার ডরে খাদিজা বেগম দূরে দূরে থাকি আমি ওগো তোমার প্রেমে পড়ার ডরে, ওই বিধাতা তোমায় কেন সৃষ্টি করল এত সুন্দর করে।। পরিবার আর সমাজ থেকে প্রেম করিতে আমার বারণ আছে, তবুও তো হৃদয় থেকে মন তোমাকে ভীষণ ভালোবাসে। কি আসে যায় তাতে এমন তোমার থেকে থাকি যদি সরে।। হাত বাঁধা যায় পা বাঁধা যায় বেঁধে রাখা যায় এই মাটির দেহ, ভালোবাসার পাগল যে মন সেই মন বাঁধতে পারে না তো কেহ।। বুঝাইলে মন বুঝ মানে না মন মানে না আমার কোন শাসন, তারে ছাড়া অন্য কিছু দেখতে পায় না আমার দুটি নয়ন। যাই না কাছে দেই না ধরা তবুও মন ছটফটিয়ে মরে।। শুধু তারে কাছে পাবার তরে।।

অতলে ডুব দেবো

  অতলে ডুব দেবো খাদিজা বেগম আমি যদি ফোন করি রোজ তুমি কি গো খুব বিরক্ত হবে, বারে বারে এই মনে হয় তুমি ছাড়া আমার কেউ নাই ভবে।। মনে মনে তোমার সাথে সারাটা রাত আমি গল্প করি, সারাটা দিন হেঁটে বেড়াই আমি তোমার ঐ দুটি হাত ধরি। মনে মনে প্রশ্ন জাগে আবার তোমার দেখা পাবো কবে।। তোমার ঐ রূপ দেখে দেখে আমি আমার চোখ জুড়িয়ে নেবো, তোমার ছোঁয়া মেখে মেখে ভালোবাসার অতলে ডুব দেবো।। তোমার কথা শুনে শুনে প্রতিটা রাত করে দেব সকাল, চায়ের কাপে ঠোঁট ভিজিয়ে তোমায় সাথে পার করিব বিকাল। সেই দিন থেকে চঞ্চলা মন তোমায় আমি দেখেছিলাম যবে।।

মোমের মত গলে

  মোমের মত গলে খাদিজা বেগম বুকের মাঝে ইটের ভাটা দিবানিশি রইয়া রইয়া জ্বলে, তার প্রেমেতে পুড়ে পুড়ে বুক ভেসে যায় দুই নয়নের জলে।। মন পারিনা বেঁধে রাখতে তারি খুঁজে পাখির মত উড়ে, যতই আমি কাছে আসি সে চলে যায় দূর থেকেও দূরে। সব কথা কি বোঝানো যায় না বুঝিলে শত ভাশায় বলে।। বুঝেও আমায় সে বোঝেনা না বোঝার ভান করে দূরে থাকে, কেমন করে বুঝাই তারে নিজের চেয়েও ভালোবাসি তাকে।। ইটের ভাটার কাঠের মত পুড়ে পুড়ে হৃদয় আমার কয়লা, তার হৃদয়ে হারাতে চাই ভাল্লাগেনা আমার একলা একলা। তার পিরিতের অনলে মন দিবানিশি মোমের মত গলে।।

অভিমানী কথা বলো

 অভিমানী কথা বল  খাদিজা বেগম  কথা বল কথা বল  অভিমানী কথা বলো তুমি, তোমার কথা শোনার তৃষ্ণায়  এই বুক আমার তপ্ত মরুভূমি।। কে দিয়েছে দুঃখ তোমায়  কেন তোমার চোখে বৃষ্টি পড়ে? আমার বুকের মাঝে থাকো  রাখবো তোমায় অনেক যত্ন করে।  চুপ করে আর থেকো না গো  সয়না প্রাণে তোমার ব্যাথার উর্মি।। তুমি কাঁদলে এই নয়নে  কান্নায় আসে ঝড়ের মত ছুটে,  তুমি হাসলে জোছনা ঝরে  আকাশ জুড়ে রূপালী চাঁদ উঠে।  তোমার খুশি দেখলে এ মন  ওলির মতন ফুলে ফুলে নাচে,  দূরে সরে যেও না গো  তুমি থাকো আমার কাছে কাছে। তুমি ছাড়া মরে যাবো  প্রাণ হারাবো বাঁচবো না গো আমি।।

আমার হৃদয় জুড়ে

 আমার হৃদয় জুড়ে  খাদিজা বেগম  খুব যতনে তোমায় আমি রেখেছিলাম আমার হৃদয় জুড়ে, ভালবাসার নাটক করে  আমায় তুমি ফেলে দিলে ছুড়ে।। যেমন করে টিস্যু ফালায়  নিজের কর্ম হাসিল হওয়ার পরে, তেমনি আমায় নির্মমতায়  ফেলে দিলে টিস্যুর মত ধরে। আমার সাথে চিট করেছ  তবু তোমার জন্য হৃদয় পুড়ে।। আমার মনের স্মৃতি হয়ে  তুমি আজও আমার সঙ্গে আছো, দিবানিশি কল্পনাতে  আজও তুমি চোখে চোখে ভাসো।। খুব যতনে ভালোবেসে  তোমায় আমি মন দিয়েছি বলে, সেই মন আমার ভেঙ্গে ছুড়ে  ডুবাই দিলে দুই নয়নের জলে। আমি এলাম তোমার কাছে  তুমি গেলে আমার থেকে দূরে।।

প্রেম করবো না

 প্রেম করবো না  খাদিজা বেগম  প্রেম করবো না প্রেম করবো না  তবু তোমায় ভালবেসে ফেলেছি, তুমি আমায় পাগল ভেবে  বলনা গো আবোল তাবোল বলেছি।। সত্যি সত্যি তোমার প্রেমে   মন ডুবেছে খুব গোপনে গোপনে, প্রতি রাতে আমার বাড়ি  আসো তুমি রাত নিশিতে স্বপনে। তাইতো আমি দিবানিশি  তোমার প্রেমে পুড়ে পুড়ে জ্বলেছি।। তোমাকে চাই আপন করে  এই চাওয়া কি হবে আমার অপরাধ,? তুমি একা আমি একা  তবে কেন দেখাও এত অজুহাত।। কাছে এসো ভালোবেসো  দুই এ মিলে হয়ে যাব একাকার, এই নিজেকে তোমার তরে  সপে দেবো বারে বারে ফের আবার।  তোমার টানে ঘর ছেড়েছি  তোমার খোঁজে পথে পথে চলেছি।।

ভালবাসার সুর গায়

 ভালবাসার সুর গায়  খাদিজা বেগম  তোমার রুপের ঐ আগুনে  মন পতঙ্গ বারে বারে পুড়ে যায়,  তোমার খোঁজে আমার এ মন  পাখি হয়ে অজানাতে উড়ে যায়।। ফুলের মত পাপড়ি মেলে  যখন হাসি ফোটে তোমার ওই ঠোঁটে,  তখন আমার ফাগুন আসে  মনের মাঝে কৃষ্ণচূড়া ফুল ফোটে।। আলতা রাঙা চরণ দেখে  চোখ ফেরে না আমার চলন ঘুরে যায়।। তুমি যখন হেঁটে চলো  রিনিঝিনি বাজে নূপুর চরণে, আমার মাঝে মন থাকে না মন ছুটে যায় শুধু তোমার স্মরণে।। তোমার গালের ঐ ছোট্ট তিল  রোদের ছোঁয়া লেগে করে ঝিলিমিল, তাই দেখিয়া মন পাপিয়া  গেয়ে ওঠে নাচে আমার প্রেমিক দিল। তোমার জন্য শিল্পী এ মন  ভালবেসে ভালবাসার সুরে গায়।।

ভালোবাসা যেন শিল্প

 ভালোবাসা যেন শিল্প  খাদিজা বেগম  ভালোবাসা যেন শিল্প  তা ছড়িয়ে দেয় প্রেমিক তার তুলিতে, সেই শিল্পকে হৃদয় দিয়ে   কুড়িয়ে নেয় প্রেমিকা তার ঝুলিতে।। প্রেমিক যেন জাদুর কাঠি  তার ছোঁয়াতে প্রেমিকার মন নাচে রে,  অলির ছোঁয়ায় পাপরি মেলে  কলির হৃদয় যেমন করে হাসে রে। মন গভীরে ডুবে থাকে  প্রেমিক দেয় না প্রেমিকাকে ভুলিতে।। ভালোবাসা পেয়েছে যে প্রস্ফুটিত হয়ে সে জন জ্বলে রে, হিংসা, নিন্দা ভুলে গিয়ে  বারে বারে প্রেমের কথা বলে রে।। ভালোবাসার অক্সিজেনে  সবুজ থেকেও সবুজ করে আত্মাকে, উজ্জীবিত করে হৃদয়  নৈতিকতায় ভরে রাখে সত্ত্বাকে। প্রেমিক ছাড়া কেউ পারেনা ভালোবাসার সুখের দোলনায় দুলিতে।।