Posts

শুধু তোমার ছবি

  শুধু তোমার ছবি  খাদিজা বেগম  তোমায় দেখার পরে আমার  উল্টাপাল্টা হয়ে গেলো সবি,  বইয়ের পাতায় লেখার খাতায়  আমি দেখি শুধু তোমার ছবি।। রাতের আকাশ জুড়ে দেখি  চাঁদের জায়গায় তুমি আছো বসে,  সন্ধ্যা তারা হয়ে তুমি  পড়ছো আমার মনের মাঝে খসে। খুব সকালে পুব আকাশে  তুমি যেন আলোকিত রবি।। তোমায় দেখি জলের উপর  ঢেউয়ের মতো করছ তুমি খেলা,  তোমায় দেখে দেখে আমার  যাচ্ছে কেটে এই জীবনের বেলা।। যত দূরেই থাকো তুমি  তোমাকে পাই আমার চোখের কাছে, আকাশ জানে বাতাস জানে  মনের মাঝে একটা তুমি আছে। সেই তুমিটার প্রেমে পড়ে  এখন আমি হয়ে গেছি কবি।।

তুমি আমি

 তুমি আমি  খাদিজা বেগম  তুমি আমায় বাসতে দিলে  জনম জনম তোমায় বাসব ভালো,  রাত গভীরে দুজন মিলে  খুঁজে নেব ভালবাসার আলো।। তুমি আমি বাসবো দুজন  সন্ধ্যা হলেই খসে পড়বে তারা, ওই নয়নে চেয়ে চেয়ে  তুমি আমি হব দিশে হারা। আমায় তুমি বাসলে ভালো  ওই হৃদয়ে প্রেমের আগুন জ্বালো।। সেই আগুনে জ্বলে পুড়ে  মন পতঙ্গ জুড়াবে তার অঙ্গ, এরি নাম প্রেম লীলা খেলা  এরি নাম হয় ভালোবাসার রঙ্গ।। সুখে দুঃখে হাত ছেড়ো না  একবার যদি এই হাত ধরো আমার, আমি তোমায় ছাড়বো না তো  দুঃখ কষ্ট এলেও হাজার হাজার।  তোমার মাঝে নূর দেখেছি  তুমি ছাড়া সবি যেন কালো।।

হাত পেতো না

  হাত পেতো না খাদিজা বেগম  ভিক্ষুক হয়ে হাত পেতো না টাকা কিংবা ভালবাসার জন্য, যত পারো বিলিয়ে দাও দিয়ে দিয়ে জীবন করো ধন্য।। যতই বড় ভিক্ষুক হও না ভিক্ষুকের হাত সম্মানিত হয় না, সম্মান চাইলে ভিক্ষা ছাড়ো মান সম্মানের সাথে ভিক্ষা যায় না। যেভাবেই হোক কর্ম করো আল্লাহ তোমায় রাখে নি তো শূন্য।। হাত আছে তো, পা আছে তো আছে তোমার কথা বলার শক্তি, তবে কেন বান্দি রবে নিতে হবে তোমার নিজের মুক্তি।। তোমার দেহ, বুদ্ধি, বিবেক আজি কাজে লাগাও শোনো, পরের উপর নির্ভর করে জ্যান্ত মারা হয়ে থাকবে কেন?? ভিক্ষা করা, চাঁদা তোলা, যাকাত নেয়ার মাঝে নেই তো পূর্ণ।।

মা

  মা খাদিজা বেগম  মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে  পৃথিবীতে এনেছে যে মা,  যত্ন করে রেখ মা কে সেই মাকে কেউ দুঃখ দিও না।। মা জননী সেজদায় কাঁদে বুকের মানিক কাঁদে না যে তার, আল্লাহ তুমি নামিয়ে দাও  সন্তানের সব দুঃখ ব্যথার ভার।। কোন কিছুর বিনিময়ে মা জননীর ঋণ শোধ হবে না।। মায়ের স্বপ্ন আর ভবিষ্যৎ  তার সন্তানদের ঘিরে ঘিরে রয়, মা হিসেবে সফল তিনি  যার সন্তানে মহৎ মানুষ হয়।। হাজার রাত্রি না ঘুমিয়ে  একটা সন্তান বড় করে মায়, কত মা যে প্রাণ হারালো  সন্তান গর্ভে ধারণ করার দায়। একবার যদি মাকে হারাও কখনো আর ফিরে পাবে না।।

বাঁশরিয়া

 বাঁশরিয়া খাদিজা বেগম  মনের মাঝে বাঁশি বাজে  বাঁশরিয়া কেন দূরে দূরে? পাগল হালো আমার এই মন  সেই অচেনা বাঁশির সুরে সুরে।। শোনো শোনো বাঁশরিয়া  মন টেনে নেয় তোমার বাঁশির টানে, যেমন করে টানে আলি ফুল বাগানের ফোটা ফুলের ঘ্রাণে।  মনে নিয়ে প্রেম পিপাসা  আমি তোমায় খুঁজি ঘুরে ঘুরে।। যেমন পাগল হাওয়ায় হাওয়ায়  সাগরের ঢেউ পাগল হয়ে ছোটে,  সেই রকম ছোটে এই মন  যদি তোমায় এই কপালে জোটে।। কোথায় গেলে পাবো তোমায়  জানিনা সেই নাম ঠিকানা তোমার,  চিনি না তো কোনো ছবি  কি হতে কি হয়ে গেল আমার। তার পিরিতের আগুন লেগে ছাই হয়ে যায় হৃদয় পুড়ে পুড়ে।।

একটুখানি মায়া

 একটুখানি মায়া  খাদিজা বেগম  যার নয়নে দেখেছিলাম  আমার জন্য একটুখানি মায়া, তার মায়াতে মন টানে খুব  জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায় কায়া।। মায়া মায়া ওরে মায়া  ধরা যায় না ভোলা যায় না তারে,  মনটা জুড়ে তার ভাবনা  তারে মনে পড়ে বারে বারে। তার প্রেমেতে ডুবে গিয়ে  আমার এ মন হারালো তার হায়া।। অলির প্রেমে ফুল হারায় তার  যত্ন করে রেখে দেয়া মধু, তার প্রেমেতে সব হারাবো  সে যদি হয় আমার প্রাণের বধু।। বধু বধু ওরে বধু  মধুর সুরে বধু বলে ডাকবো,  সুখে দুঃখে সারা জীবন  আমি শুধু তোমারি তো থাকবো। যেমন করে মিশে থাকে কায়া র সাথে আপন আপন ছায়া।।

সেতো সস্তা নয়

 সে তো সস্তা নয়  খাদিজা বেগম  তুমি যাকে খুব সহজে  পেয়ে গেছো সে তো সস্তা নয়,  কত ব্যর্থ প্রেমিক কাঁদে  তার মন করতে পারেনি তো জয়।। না চাই তে যা পেয়ে গেছো  তাতো তোমার উপর ওয়ালার দান, নিঃসন্দেহে খুব ভালো সে  আর করো না তারে অপমান। সাহস সরল নিষ্পাপ হৃদয় ভাঙার আগে জাগাও স্রষ্টার ভয়।। স্রষ্টা যেসব দায়িত্ব দিল  তা পালনে হও দায়িত্ববান,  স্রষ্টার আদেশ মানে যারা  তাদের জন্য স্রষ্টা রহমান।।  মনের সাথে মন মেলে না  মতের সাথে মেলে না তো মত, তবু আমরা পথযাত্রী  সবার সামনে মরণ নামের পথ। যে মানে না স্রষ্টা আদেশ  মানুষরূপী সেই অমানুষ হয়।।