Posts

আজ কাল

 আজ কাল  খাদিজা বেগম  আজ কাল বলি বলি করে তোমায় ভালোবাসি বলাই হলো না, আজ কাল চলি চলি করে তোমার সাথে আমার চলাই হলো না।। আজ কাল ধরি ধরি করে  আমার হয়নি আজো তোমার হাত ধরা,  আজ কাল করি করি করে  তোমার সাথে আমার হয়নি প্রেম করা।  তুমি শুধু মনেই আছো  আজো আমার মনের দুয়ার খোলাই হলো না।। তুমি যদি একবার এসে  নাড়া দিতে মন দুয়ারের কড়াতে,  ঝড়ের মতো ছুটে আসতাম  ভালোবেসে বুকের মাঝে জড়াতে।। শুধু একবার যদি ডাকতে  আমার নামটি ধরে তোমার ওই মুখে,  মোমের মত গলে গলে  মিশে যেতাম আমি তোমার ওই বুকে। একটুখানি ভালোবেসে এক দোলনায় এসে দোলাই হলো না।।

নষ্টামি নয়

 নষ্টামি নয়  খাদিজা বেগম  নষ্টামি নয় দুষ্টামি নয়  ভালবাসা রাখতে হবে পবিত্র,  প্রাণ বাঁচে না পানি ছাড়া  মান বাঁচে না না থাকিলে চরিত্র।। যার চরিত্র সুন্দর থাকে  তার চোখে চোখ পড়লে জাগে সুখের ঢেউ,  চরিত্রহীন লোকের কথা  কানে লাগে যে কুকুরের ডাক ঘেউ ঘেউ। ভালো ভাষা শুনতে সুখের  ভালোবাসার জন্য সুন্দর ধরিত্র।। চলতে চলতে হঠাৎ করেই জীবন তরী ঝড় তুফানে পড়ে যায়,  হঠাৎ করেই ধোঁয়া ওঠে  অজানা এক তপ্ত আগুন ধরে যায়।। ভয় না পেয়ে ধৈর্য ধরে তখন তোমায় বাঁচতে হবে কৌশলে, তরীর সাথে ডুবে যাবে  কিংবা তুমি পুড়ে যাবে ভুল হলে। যার ভিতরে বিবেক আছে  সেই সাহসী ভালোবাসার অরিত্র।।
 শান্তি  খাদিজা বেগম  শান্তি হলো সোনার হরিণ  হাজার খোঁজেও তারে পাওয়া যাবে না,  ধৈর্যের কাছে শান্তি আছে  অধৈর্য লোক কভু শান্তি পাবে না।। শান্তি খুঁজে বেড়ায় যারা  তারাই ছড়ায় শান্তির নামে অশান্তি,  সুখে দুঃখে গড়া জীবন  দুঃখ দেখে কেউ হবে না বিভ্রান্তি। দুঃখের সময় ধৈর্য ধরো  কোন দুঃখ সারা জীবন রবে না।। নিজের শান্তি বজায় রাখতে অস্থিরতা আর দুশ্চিন্তা ত্যাগ কর, নেতিবাচক চিন্তা-ভাবনা  ছেড়ে দিয়ে ইতিবাচক পথ ধর।। যা আছে তাই থাকার জন্য  মনে মুখে হয়ে উঠো কৃতজ্ঞ, অশান্তির মূল অকৃতজ্ঞ  আপনাকে ভাবতে থাকে সর্বজ্ঞ। অধৈর্য আর অকৃতজ্ঞ কভু অন্যের কষ্ট নিয়ে ভাবে না।।

কিছুই আমার নাই

 কিছু আমার নাই  খাদিজা বেগম  আগুন যদি পুড়তো আমায়  তবু রেখে যেতে পোড়া ছাই,  এমন ভাবে পড়লে আমায় আমার বলে কিছুই আমার নাই।। মিষ্টি প্রেমের ছোঁয়া ভেবে  ধরে ছিলাম আমি তোমার হাত, সেই ধরাটাই ভুল হয়েছে তাইতো আমি জ্বলছি দিবা রাত। এখন আমি সেই আমাকে  আগের মত ফিরে পেতে চাই।। জলে যদি ডুবতাম আমি  জল ভাসিয়ে দিত আমার লাশ,  তোমার প্রেমে ডুবে গিয়ে  আমার হলো বড় সর্বনাশ।। যদি রোপন করতাম বৃক্ষ  আমায় দিত অক্সিজেন আর ফুল,  তোমার প্রেমের রোপন করে  আমি আমার হারালাম সব কূল। মাঝ নদীতে তুফান ভারী  এখন আমি পাইনা খুঁজে ঠাই।।

খুলে রাখো মেরুদন্ড

 খুলে রাখো মেরুদন্ড  খাদিজা বেগম তুমি খুলে রাখো মেরুদন্ড  মাথা তুলে দাঁড়াতে হয় যদি ভয়, মাথা নিচু করে চলে যারা  পৃথিবীর বুকে তারা মানুষ নয়। তুমি মানুষ সকল সৃষ্টির সেরা  কেন তোমার চলাফেরা দ্বিপক্ষে, তুমি রাখবে মাথা উঁচু করে সদা থাকবে সব অন্যায়ের বিপক্ষে। বল কোন কারনে কিসের ভয়ে  সরীসৃপের মত তোমার মাথা নত হয়।। মানুষ থাকে মাথা উঁচু করে  সে ঘুমালেও মাথা রাখে উঁচুতে, স্বার্থের জন্য সে হবে না বন্য  মিথ্যার কাছে হারবেনা সে কিছুতে।। ভালো কাজের সহযোগী মানুষ  মন্দ কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে, দুর্জয় দুর্বার বীর সাহসী মানুষ  তার আলোতে অন্ধকার কে হারাবে। শুনো মানুষের কাজ চির অম্লান  যারা মানুষ তাদের নেই তো পরাজয়।।

কথার কাটাকাটি

 কথার কাঁটাকাটি খাদিজা বেগম  তোমার আমার হবে যখন  একটুখানি কথার কাটাকাটি,  পিছনের দোষ ত্রুটিগুলো  আমরা করো না কেউ ঘাঁটাঘাঁটি।। তুমি আমি স্বামী স্ত্রী আমরা দুজন একে অন্যের পোশাক, কোমলকণ্ঠে কথা বলব  পশুর মত কেউ দেব না হাগ ডাক।  হয় যদি হোক মান অভিমান  হয় না যেন অশ্লীল ঝগড়াঝাঁটি।। স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক  জান্নাত থেকে এসেছে এই ধরায়, একে অন্যের শূন্য হৃদয়  যত্ন করে ভালোবেসে ভরায়।। স্বামী স্ত্রী এক পরিবার  অন্য সবাই পরিবারের স্বজন, এই ধরাতে বেশি আপন  স্বামী-স্ত্রীর বন্ধনে যে দুজন। সারা জীবন আমরা থাকবো  একে অন্যের জন্য শীতলপাটি।।

মায়ার ছোড়াছুড়ি

 মায়ার ছোড়াছুড়ি  খাদিজা বেগম  এখন চলছে যৌবন জোয়ার  ভাটায় থাকবে মায়ার ছোড়াছুড়ি, তোমার সাথে বুড়া হবো  তোমায় আমি দেখব হতে বুড়ি।  তুমি যদি রান্না করো  সবজিগুলো কেটে দেবো আমি,  তোমার মনের খবর রাখবো  তোমার কাছে হবো সেরা স্বামী। চুল পেকে যাগ দাত পড়ে যাক  তবু খাব আইসক্রিম ঝালমুড়ি।। ছেলে মেয়ে থাকে থাকুক  ভিন্ন হয়ে অন্য কোন খানে, আমি থাকবো তোমায় ঘিরে  তোমার সামনে পিছে বামে ডানে।। লাঠিতে ভর করে করে  আমি হাঁটবো তোমার হাতটি ধরে,  মরণ ছাড়া কেউ যাব না কাউকে ছেড়ে অন্য খানে সরে। যখন যাব অবসরে   নীল আকাশে উড়তে দেবো ঘুড়ি।।