Posts

ধর্মান্ধ

 ধর্মান্ধ   খাদিজা বেগম আজো ধর্মান্ধ দেখি  আমি দেখি মূর্খের মহামারি, ঘরে ঘরে বাড়ি বাড়ি দেখি নারী বিদ্বেষী ঐ সব আনাড়ি।। আজো ওদের ভিতর থেকে  কুত্তার মত লালা ঝরে পড়ে, নইলে ওরা বাল্যবিয়ের  পক্ষে নিজের মত মিলায় কি করে। রাষ্ট্রের আইন মানে না যে  সে চলে যাক আমার রাষ্ট্র ছাড়ি।। ধর্ম অন্ধ পশু গুলো  ধার্মিক সাজা দূর আরোগ্য ক্যান্সার, ওদের কাছে ভাল্লাগে না  সাহিত্য গান আনন্দময় ড্যান্সার।। ব্যভিচারে ধরা খেয়ে  যারে তারে দ্বিতীয় বউ বানায়, মিথ্যেবাদী বিশ্বাসঘাত নিজের স্বার্থে হাদিস কোরআন জানায়।  জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা রেখে  নারীর বিষয় করে বাড়াবাড়ি।।

নাম জানি না

 নাম জানি না  খাদিজা বেগম  আমি আমার নাম জানি না  লোকে ডাকে আমায় টোকাই, কোথায় আমার পিতা মাতা  কেঁদে কেঁদে খুঁজে বেড়াই।। সুতা ছেড়া ঘুড়ির মত কেউ টানে না আমায় কাছে, আমার কেহ নাই দুনিয়ায়  সবার জন্য সবাই আছে। আঁস্তাকুড়ের কুকুর বিড়াল  ওদের সাথে রাতে ঘুমাই।। আস্তাকুড়ে আঁস্তাকুড়ে  খুঁজে খুঁজে খাবার খাচ্ছি,  হে দয়াময় দাও বলে দাও  কেন এত কষ্ট পাচ্ছি??  আমি একটা অবুঝ শিশু  কেন আমার পেটেও শিশু,  ওহে সভ্য সমাজ বলো  বলার জন্য নাই কি কিছু? তোমরা মানুষ কিনা শয়তান  একবার কর যাচাই বাছাই।।

পাক কালেমা

 পাক কালেমা  খাদিজা বেগম  মুখে মুখে পাক কালেমা   পড়ে তোমার এমন হলো কি লাভ? চিন্তা করে দেখো তুমি  তোমার মাঝে আজো পশুর স্বভাব।।  লোক দেখানো নামাজ পড়ো  তাই তো মুখে অশ্লীল কথা বলো,  উপোস থাকার রোজা থাকো  তাই বারেবার অন্যায় পথেই চলো। চিন্তা করে দেখরে মন  লোক ঠকানো পাপ পাবে কি না মাপ।। বারে বারে হ্বজ করিলে  তুমি হয়তো হয়ে যাবে হাজী, কেউ না জানুক তুমি জানো  তুমি কত বড় একটা পাজি।। হালাল হারাম না ভাবিয়া  পকেট ভরো অন্যের টাকা নিয়া।  ধ্বংসের খেলা খেলছো তুমি  হাসো যদি কাউকে কষ্ট দিয়া। স্রষ্টার গুণে গুণান্বিত  হওয়ার চেষ্টায় ধুয়ে মুছে যায় পাপ।।

শেষ প্রেম হবে

 শেষ প্রেম হবে  খাদিজা বেগম  তুমি আমার শেষ প্রেম হবে  সারা জীবন পাশাপাশি রবে,  তোমায় আপন করে পেলে  অন্য কিছু চাইবো না এই ভবে।। প্রথম ডাবের পানির মতন  প্রথম সেই প্রেম হঠাৎ গেল পরে,  ধীরে ধীরে কাছে এসে ধীরে ধীরে সে গিয়েছে সরে। সে আমাকে ভুলে গেছে  আমি কেন মনে রাখব তবে।। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে  ভুল করেছি প্রথম প্রেমের বেলায়,  বেশি ভালোবাসতে গিয়ে  শিকার হলাম বেশি অবহেলায়।। পরিপক্ক এই জীবনে  আমি চলব আমার কথা রেখে,  তপ্ত রোদে ঝর বৃষ্টিতে  ছাতার মত তোমায় রাখবো ঢেকে। আমি থাকবো তোমার আশায় তোমার আমার আবারো প্রেম হবে।।

শরীর চায়

 শরীর চায়  খাদিজা বেগম  এই শরীর চায় তোমার শরীর  এই মনে চায় তোমার ঐ মন,  প্রতি অঙ্গ কেঁদে কেঁদে  তোমার অঙ্গের চায় আমন্ত্রণ।। মেঘলা দিনে কিংবা রাতে শীত বসন্ত গ্রীষ্ম বর্ষায়, কাছাকাছি থাকো তুমি  সব ঋতুতে মন চায় তোমায়। খুব সকালে নয়ন খুলেই  তোমায় খোঁজে আমার নয়ন।। তুমি কেন প্রেম বোঝনা  প্রেম বিহনে প্রাণ বাঁচে না,  ভালোবাসা ছাড়া কভু  পাখি গায় না ফুল হাসেনা।। ওই মনে এই মন জড়িয়ে  তুমি ছুঁয়ে থাকো আমায়,  যেমন করে গাছ জড়িয়ে  গাছের সাথে থাকে লতায়। তোমার একটু মিষ্টি ছোঁয়ায়  হৃদয়ে বয় সুখের প্লাবন।।

প্রবল তৃষ্ণা

 প্রবল তৃষ্ণা  খাদিজা বেগম  তোমার ঠোঁটের পাপড়ি দেখে  আমার ঠোঁটে প্রবল তৃষ্ণা জাগে,  ঠোঁট পেতে চাই ঠোঁটের ছোঁয়া  এমন চাওয়া ছিল না তো আগে।। তোমার হাতের আঙ্গুল যখন  ছুঁয়ে দিল আমার আঙ্গুলগুলো,  ভালোবাসার ঝড় তুফানে  উড়ে গেল জমানো সব ধুলো।  এই মন যেন মুক্ত পাখির  ডানা মত হালকা হালকা লাগে।। চলো উড়ে যাই আকাশে  ভেসে বেড়াই নীল সমুদ্রের জলে, তোমায় দেখে মন খুশিতে  নেচে ওঠে একেই কি প্রেম বলে।। তুমি আমার মনের তৃপ্তি  তুমি আমার হৃদয়ের সুখ শান্তি,  তোমার ছোঁয়ায় দূর হয়ে যায়  এই জীবনে দুঃখ কষ্ট ক্লান্তি। তুমি এলে বৃষ্টি নামে   সুখ ছড়িয়ে ফুল ফোটে মন বাগে।।

ভূমিকম্পের মত নাড়ায়

 ভূমিকম্পের মত নাড়ায় খাদিজা বেগম  তোমার ছোঁয়ায় আমার মন কে  ভূমিকম্পের মত নাড়ায়,  তোমার প্রেমে অস্থির এ মন স্থির থাকতে দেয় না আমায়।। তোমার ঠোঁটের মিষ্টি হাসি  পরমাণু শক্তিকে হার মানায়,  তাই তো আমি হার মেনেছি  শুধু তোমার ভালোবাসায়। তোমার ভাবনায় বিভোর হয়ে  ডুবে থাকি তোমার পাড়ায়।। আমার এ মন মনে মনে  জোট বেঁধেছে তোমার মনের সনে,  হাওয়ায় হাওয়ায় ফুলের সৌরভ কোকিলের গান ফাগুন বনে বনে।। মায়া ভরা দুই নয়নের  মায়ায় মায়ায় ডুবে গেলাম আমি,  আজ মনে হয় পৃথিবীতে  তুমি ছাড়া আর কিছু নাই দামি। তাইতো তোমায় পাবার জন্য  বারে বারে মন থেকে মন বাড়ায়।।