Posts

প্রেম তরঙ্গ

 প্রেম তরঙ্গ  খাদিজা বেগম  ভেতর থেকে মন পুড়ে যায়  প্রেম তরঙ্গের সৃষ্টি তারনাতে, দিন কেটে যায় যেমন তেমন দুই নয়নে ঘুম আসেনা রাতে।। তবু থাকি তালা মুখে  প্রেমের কথা বলা নিষেধ আছে,  মন যারে চায় মনে মনে  মন শুধু যে তারেই ভালোবাসে। হাত পেতে চায় হাতের ছোঁয়া  থাকতে চায় মন তারি সাথে সাথে।। উচ্ছ্বাসিত উর্মি মালা  যেমন করে থাকে নদীর বুকে,  তেমন করে থাকতে দিও  তোমার বুকে ভালোবাসার সুখে।। পূর্ণিমার ওই আকাশ যেমন  ধ্রুব তারায় তারায় থাকে ছেয়ে, তেমন এ মন কানায় কানায়  ভরে ওঠে তোমায় কাছে পেয়ে। হাজারো ঝড় তুফান এলেও  তোমার ওই হাত রেখো আমার হাতে।।

মানুষ হবার পরীক্ষা

 মানুষ হবার পরীক্ষা  খাদিজা বেগম  মানুষ হবার পরীক্ষাতে  সেদিন মাথায় বেঁধেছিলাম কড়াই,  হাতে নিয়ে ঢাকনা বেলুন  অস্ত্রের মুখে করেছিলাম লড়াই।। বই খাতা পেন রেখে দিয়ে  দেশের জন্য ধরেছি প্রাণ বাজি, দেশমাতাকে রক্ষা করতে  হাজারো বার মরতে আমি রাজি। মুখে নিয়ে বজ্র কন্ঠ  হাতে হাতে বিজয় নিশান উড়াই।। আমি যখন জ্বলে উঠি  শত্রু ডুবে সেই আগুনের বন্যায়, একে একে জ্বলে পুড়ে  ছাই হয়ে যায় জালিমের সব অন্যায়।। ইঁদুর হয়ে ভয়ে ভয়ে  গর্তে ঢুকে চাইনা বেঁচে থাকতে, বীরের মত মরবো আমি  জন্মভূমি মায়ের সম্মান রাখতে। ছেলে থাকতে মায়ের ভয় নাই  তুমি করো বুক ফুলিয়ে বড়াই।।

পাথরের পথ

  পাথরের পথ খাদিজা বেগম পাথরের পথ যত কঠিন  তার চেয়েও আরো কঠিন তার মন,  বোঝেনা প্রেম ভালোবাসা  সে যে রেগে উঠে যখন তখন।। সূর্যের তীব্র তাপে তাপে  বরফও হয় গলে গলে পানি,  মৃত্যুর চেয়ে ভয়ংকর রাগ রাগ ধ্বংসের পথ এই কথাটি জানি। জেনেশুনে তবু কেন  তার মায়াতে কাঁদে আমার নয়ন।। তীব্র জলের চাপে চাপে  পাথরও যায় ধীরে ধীরে ক্ষয়ে, আমার জীবন যাচ্ছে কেঁদে  তবু তারি প্রেম হারাবার ভয়ে।। প্রতিবেশী যন্ত্রনা দেয় আমায় প্রশ্ন করে বারে বারে? কি দেখে যে প্রেম করেছি  কি দেখে যে ভালবাসি তারে? কোথায় আমার বিবেক বুদ্ধি  আবেগ এর নয় এটা বাস্তব ভুবন।।

বাচ্চামী

 বাচ্চামী  খাদিজা বেগম  স্বামীর কাছে স্ত্রী হবে  বাচ্চার মত করবে শুধু বাচ্চামী,  এটা সেটা বায়না ধরবে  বায়না গুলো পূরণ করবে তার স্বামী।। অল্প কষ্টে কান্না করবে  স্বামী তখন আদরে চোখ মোছাবে,  স্ত্রীর মনে ক্ষত হলে  যত্ন করে ভালোবেসে ঘোচাবে। এরি নাম প্রেম ভালোবাসা  স্বার্থপর লক বলে তারে পাগলামী।। স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা  খুব পবিত্র আনন্দময় সর্বদা,  স্বামী-স্ত্রীর মাঝে আরো  ভালোবাসা বৃদ্ধি করো হে খোদা।। মান অভিমান ঝগড়াঝাটি  রয় না যেন স্বামী-স্ত্রীর ভিতরে,  একে যেন অন্যের কাছে  সারা জীবন ধরে থাকে আদরে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কটা  সব সম্পর্কের চেয়ে সেরা আর দামি।।

তোমার নেয়ামত

 তোমার নেয়ামত  খাদিজা বেগম  তোমার দেয়া নেয়ামতে  কানায় কানায় জীবন ভরে উঠেছে,  নৈতিকতার সুবাস নিয়ে  মনে নানান রঙের আশা ফুটেছে।। এই ভরসায় ঘুমাতে যাই  তুমি আমার ঘুম ভাঙ্গাবে সকালে, যদিও ঘুম না ভাঙ্গে আর তোমার কাছে যাবো তোমার ডাকএলে। জেগে থাকি কিংবা ঘুমে  সর্বদা মন তোমারি প্রেম লুটেছে।। তোমার প্রেমের সৃষ্টি আমি  তোমার প্রেমে বেঁচে আছে এই জীবন,  তবু তোমার প্রেম পেতে চোখ  তোমার দিকে চেয়ে থাকে সারাক্ষণ।। যা দিয়েছো এই আমাকে  আমার জন্য তা তোমারি মহিমা, অন্ধকার এই জীবন পথে  রোজ দিয়েছো ঢেলে তোমার পূর্ণিমা। তোমার অসীম করুনাতে থেমে যাওয়া প্রাণ বারে বার ছুটেছে।।

নয়া বরের সাজে

 নয়া বরের সাজে  খাদিজা বেগম  আমার প্রেমের সমাধিটা  আজও আছে এই হৃদয়ের মাঝে, দুই নয়নের জলে জলে  ভিজাই তারে সকাল সন্ধ্যা সাঝে।। ভালোবেসে প্রেম করেছি সেই প্রেমিকের মিষ্টি কথা শুনে, আদর করে রেখেছিলাম  স্বপ্ন জুড়ে আদরের বীজ বুনে। না দেখে সে আমারি প্রেম  ব্যস্ত দেখায় নানা রকম কাজে।। একবার তারে দেখতে পারলে  মন ভরে যায় জান্নাতের ঐ সুখে,  মন কেবলি মনে মনে  হারাতে চায় তার মায়াবী বুকে।। এই মনে চায় তারে আমার  মনের সাথে ধরে বেঁধ রাখি, তার আসিবার পথের পানে  চেয়ে থাকে উদাসিনী আঁখি। তবুও সে যায় চলে যায় অন্যের বাড়ি নয়া বরের সাজে।।

মন তোমাকে ডাকে

 মন তোমাকে ডাকে  খাদিজা বেগম  বারে বারে মন তোমাকে ডাকে  পারিনা তো মুখে তোমায় ডাকতে,  আমি আর পারি না তোমার প্রতি  জেগে ওঠা প্রেম লুকিয়ে রাখতে।। নীল আকাশে মেঘ করেছে  পুকুরের জল বৃষ্টির জলে ভাসে, হাউসো মিথুন সেই জলেতে  মন ভিজিয়ে কি যে ভালোবাসে।  প্রেমময় এই দৃশ্য দেখে  আর পারি না একা একা থাকতে।। ফাগুন এলে পুষ্প ফোটে  পাখির ঠোঁটে সুমধুর গান ছড়ায়, প্রেম বিহনে প্রাণ বাঁচে না তাইতো সবার উপরে প্রেম ধরায়।। হাওয়ায় হাওয়ায় বার্তা আসে  অলির কাছে ফুলের ঘ্রানে ঘ্রানে, আমি কেমন করে বার্তা পাঠাই  তোমার জন্য প্রেম জেগেছে প্রাণে। ওরে আমারও তো ইচ্ছে করে  একটুখানি আদর সোহাগ মাখতে।।