Posts

Showing posts from August, 2026

কেমন স্বামী স্ত্রী

 কেমন স্বামী স্ত্রী  খাদিজা বেগম শোনবে,  আমরা কেমন স্বামী স্ত্রী  আমাদের সব কিছুই ভিন্ন ভিন্ন,  আমাদের ঘর সংসার সন্তান  এতেই প্রমাণ হয় মিলনের চিহ্ন।। অমিল দিয়ে ভরা সংসার  আমাদের সুর কথা তাল লয় ছন্দ,  এই অনিল মিল করতে গিয়েই সবকিছুতে লেগে থাকে দ্বন্দ্ব।  তাইতো আমরা যে যার মত  কেহ বদলে যায়নি কারো জন্য।। বহুকালের বিবর্তনের  মধ্য থেকে হল এই উৎপত্তি,  আমরা একে অন্যের সহযোগী  কেউ কারো হই না কোন সম্পত্তি।। অধিকারের দোহাই দিয়ে  মত চাপাই না কেহ কারো উপর,  আমরা দুজনেই ভুলে ভরা  কেউ মারি না কাউকে কথার থাপ্পর।  ভুল শুধরিয়ে আগলে রাখি তাই তো জীবন আজ এত অনন্য।।

অনাড়ষ্ট

 অনাড়ষ্ট খাদিজা বেগম  সত্য সন্ধান করো তুমি  তোমার জিহ্বা রাখো আনাড়ষ্ট,  সত্য দেবে আত্ম তৃপ্তি  মিথ্যা তোমায় করে দেবে নষ্ট।। মিথ্যা থেকে সরে গিয়ে  থাকতে পারো যদি সত্যের কাছে,  তবেই জেনে রেখো তুমি  তোমার মাঝে মনুষ্যত্ব আছে। মনুষ্যত্ব ওয়ালা মানুষ  কভু কাউকে দেয় না দুঃখ কষ্ট।। রাগের সময় চুপ থাকতে হয়  রাগের কথা অশ্লীল হতে পারে,  রাগ নিয়ন্ত্রণ করে যে জন  সত্তিকারের মানুষ বলে তারে।। তোমার সুন্দর চিন্তা কর্মে ছয় রিপুরা হয়ে যাবে দুর্বল,  সদা সত্যের চর্চা করো  সত্যের মাঝেই তুমি হবে সফল।  যারা মিথ্যার মাঝে খোঁজে  সুখ আনন্দ তারাই ভবে ভ্রষ্ট।।

প্রতিদ্বন্দ্বী

 প্রতিদ্বন্দ্বী  খাদিজা বেগম  ভালোবেসে কাছে এসে  দেখি তুমিই আমার প্রতিদ্বন্দ্বী,  ভালোবাসা পাবার আশায়  হয়ে গেছি তোমার কাছে বন্দী।। বিশ্বাস করে হৃদয় দিলাম  আমি তোমার হৃদয় পাবো বলে,  আমার হৃদয় ভেঙ্গে চুরে  ভাসাই দিলে দুই নয়নের জলে।  সুখে রাখার কথা দিয়ে  কষ্ট রাখার করছো হাজার ফন্দি।। কথা ছিল সুখে-দুখে  আমার পক্ষে থাকবে দিনে রাতে  এখন দেখি লড়ছো তুমি প্রতিপক্ষ হয়ে আমার সাথে।। বন্ধু ভেবে ভুল করেছি  এখন দেখি তুমি আমার দুশমন,  তুমি আমি কাছে থেকেও  এখন যোজন যোজন দূরে দুজন। তোমার প্রতারণার কাছে  বারেবারে হারে আমার সন্ধি।

ঘরের মানুষ

 ঘরের মানুষ  খাদিজা বেগম  যখন ঘরের মানুষ পরের সাথে  হাত মিলিয়ে প্রতারণা করে,  তখন সংসার ভাঙার ভয়ে  অন্য জনা জ্যান্ত মরা মরে।। এক ফোটা জল চোখে আসে  হাজার ফোটা রক্ত ঝরে মনে, সংসার বড় জটিল বিষয়  তা টেকে না না টিকালে দুই জনে। কেউ করে ভুল কেউ দেয় মাশুল  কেঁদে কেঁদে সারা জীবন ধরে।। একটি বিচ্ছেদ মানে হল  হাজার রাত্রি জেগে জেগে কাঁদা, কান্নার কারণ হয় না তারা  যাদের হৃদয় পবিত্রময় সাদা।। এক মুহূর্তের ভুলের জন্য  হতে পারে সারা জীবন কাঁদতে,  হারাতেও পারো তারে  চাইছো যারে আপন করে বাঁধতে। বিশ্বাসঘাতক মীর জাফরদের  দেখে লোকে ঘৃণার নয়ন ভরে।।

ধড়ফড় ধড়ফড়

 ধড়ফড় ধড়ফড়  খাদিজা বেগম  তোমার চোখে চোখ পড়িলে  ধড়ফড় ধড়ফড় করে আমার বুক,  দুঃখগুলো যায় হারিয়ে  বুকের কানায় কানায় জাগে সুখ।। তোমার হাতে হাত রাখিলে  পৃথিবীতে নেমে আসে জান্নাত,  জনম জনম তোমাকে চাই  তুমি ছাড়া আমি যেন বরবাদ। ফোটা ফুলের মত লাগে  দেখতে তোমার হাসিমাখা মুখ।। ওই ফুলের ঘ্রাণ পেয়ে এই মন  অলির মতন পাগল হয়ে ছোটে, গভীর ঘুমে ঘুমান্ত প্রেম  তীব্র ঝড়ের মতো জেগে ওঠে।। তোমার পথে পা রাখিলে  ফিরে আসা হয় না আমার ঘরে,  যাযাবর মন সারাটা ক্ষণ  ঘুরে ফিরে তোমাকেই খোঁজ করে। তোমার মাঝেই আমার সব সুখ  তোমায় ছাড়া জীবন ভরা দুখ।।

স্বপ্ন ছিল

 স্বপ্ন ছিল  খাদিজা বেগম ছোট ছোট স্বপ্ন ছিল  আবেগঘন এই হৃদয়ের মাঝে,  স্বপ্নগুলো অশ্রু হয়ে  চোখে ঝরে সকাল সন্ধ্যা সাঁঝে।। স্বপ্ন ছিল হাটবো দুজন  পাশাপাশি দুজনার হাত ধরে, বসব দুজন কাছাকাছি ভালবেসে ঘেঁষাঘেঁষি করে। স্বপ্নগুলো হারিয়ে যায়  এই জীবনের তপ্ত জটিল কাজে।। স্বপ্ন ছিলা বলব কথা  ভালোবাসার অঙ্গ ভঙ্গি করে, অঙ্গভঙ্গি ভুলে কেন  ঝগড়া করি কর্কশ কণ্ঠস্বরে।। স্বপ্ন ছিল আমরা দুজন  সুখে দুঃখে বন্ধু হয়ে থাকবো,  একের ক্ষতে অন্যজনা যত্ন করে সুখের মলম মাখবো।  আজ কেন সেই স্বপ্নগুলো  যন্ত্রণার সুর হয়ে মনে বাজে।।

শান্তি লাগে চিত্তে

 শান্তি লাগে চিত্তে  খাদিজা বেগম  তোমার মত মিথ্যা বলে  পারবো না তো কোনদিনও জিততে,  সত্য বলেই হেরে যাব  এই হারাতেই শান্তি লাগে চিত্তে।। তোমার মত প্রতারণা  করে করে চাই না সুখী হতে,  পবিত্রতায় অটুট থাকব  নুন দেবনা কারো মনের ক্ষতে। মরে গেলেও থাকবো আমি  নৈতিকতায় ঘিরে থাকা বৃত্তে।। অনৈতিক ঐ পাপের পথে  সুখের আশায় পা রাখবো না আমি,  হবো না তো বিশ্বাসঘাতক নীতির পথে দুঃখই আমার দামি।। ন্যায়ের মতো ঐশ্বর্য নাই যারা মানুষ তারাই শুধু জানে,  স্রষ্টার আদেশ নিষেধ গুলো  সত্যি কারের মানুষেরাই মানে। যেন মানুষ হয়ে মরি  এই মোনাজাত করি নিত্যে নিত্যে।

হাসির ঝলক

 হাসির ঝলক  খাদিজা বেগম  তার মুখেতে হাসির ঝলক  কে দিয়েছে কানায় কানায় ভরে,  তার হাসিতে পুষ্প ফোটে  লাজুক লাজুক ঠোঁটে পাপরি ঝরে।। তার চলনে ঢেউ উঠে যায়  সেই ঢেউ আছড়ে পরে আমার বুকে, তারে যদি দেখি আমি  মন ভরে যায় অজানা এক সুখে। তারে পাবার জন্য এই মন  একা একা ছটফটিয়ে মরে।। জেগে জেগে স্বপ্ন দেখি তারে নিয়ে জোৎস্না স্নানে যাবো,  রাত গভীরে খুঁজি তারে  জানিনা তো কোথায় তারে পাবো।। তার কথাতে জাদু মাখা  তার আঁখিতে অনেক বেশি মায়া,  তার মায়াতে মন মজেছে  তাইতো পুড়ে ছাই হয়ে যায় কায়া। স্বপ্ন থেকে এসো তুমি  এসো আমার ভালোবাসার ঘরে।।

ভালোবাসা দুধের মত

 ভালোবাসা দুধের মত  খাদিজা বেগম  ভালোবাসা দুধের মত  অগ্নি তাপে তাপে ফুটতে থাকে,  ফুটতে ফুটতে উথলে ওঠে  কেউ থামাতে পারে না তো তাকে।। নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে তাপ কমিয়ে জ্বাল নেভিয়ে রাখো, উথলে উথলে পড়ে যাবে  যদি তারে জুলুম করে ঢাকো।  মন থাকে না শূন্য পড়ে  এই প্রকৃতি তাকে ভরে রাখে।। তাই বলি মন সচেতন হও  ভালবাসার মানুষ বেছে নিতে,  এমন মানুষ বেঁচে নিও  সে পারে না যেন ধোঁকা দিতে।। মানুষ নয় তো কোন রোবট  তোমার হাতে দেবে নিজের রিমোট,  তার পিছনে থেকে তাকে  খুব যতনে করতে হবে প্রমোট। যাকে তুমি ভালোবাসো  বাঁধ সেজনা তারি পথের বাঁকে।।

কেন তুমি আসো না

 কেন তুমি আসো না  খাদিজা বেগম  মেঘের ডাকে বৃষ্টি আসে  আমি ডাকলে কেন তুমি আসো না,  তবে কি মন বুঝে নেবে  তুমি বন্ধু আমায় ভালো বাসো না।। কূলের ডাকে ঢেউ ছুটে যায় ঢেউয়ে ঢেউয়ে ভিজিয়ে দেয় নদীর কূল, আমি তোমায় এতই ডাকি আমার ডাকে ঝরে পড়ে গাছের ফুল। অলির ডাকে পুষ্প হাসে  আমি ডাকলে কেন তুমি হাসো না।। ফুলের ডাকে মধু খেতে  নেচে নেচে ছুটে আসে মৌমাছি,  মনে প্রাণে তোমায় ডাকি  তোমায় ডেকে মন হয়ে যায় উদাসী।। একটু মায়া হয় না কেন  আমার জন্য তোমার মনের ভেতরে,  তোমার জন্য খুব গোপনে  কানায় কানায় প্রেম রেখেছি অন্তরে।  কত ফাগুন এলো গেল  তুমি কেন প্রেম সাগরে ভাসনা।।

হৃদয়ের প্রেম

 হৃদয়ের প্রেম  খাদিজা বেগম  হৃদয়ের প্রেম ভালবাসা  কোন ভাষায় প্রকাশ করা যায় না,  তবুও মন মনে মনে  প্রেম প্রকাশের খুব ধরেছে বায়না।।  মনের কথা শুনতে গিয়ে কত প্রেমিক লিখেছিল চিঠি, ভালোবাসা দেখতে গিয়ে  দেখেছিল তারার মিটিমিটি।  হাজার চেষ্টা করেও প্রেমিক  আজো ভালবাসার দেখা পায় না।। মানব মনের অনুভবে  মিশে থাকে ভালোবাসার মায়া,  ধরা যায় না ছোঁয়া যায় না  ভালোবাসা এক অদৃশ্য ছায়া।। প্রেম পাবো না জেনেও আমি সারা জীবন প্রেমের পিছে ঘুরি, প্রেম ভেবে যা ধরেছিলাম তা ছিল এই হৃদয় কাটা ছুরি। যারা চেনে আপনাকে  তারা কারো ভালবাসা চায় না।।

মনে রাখি

 মনে রাখি  খাদিজা বেগম আমি তোমায় মনে রাখি  তুমি কেন বারে বারে ভুলে যাও,  আমি তোমায় বেঁধে রাখি  তুমি কেন মায়ার বাঁধন খুলে যাও।। আমি তোমার কাছে আসি  তুমি কেন বহুদূরে চলে যাও,  যাবেই যখন চিরতরে  ভালো কেন বেসেছিলে বলে যাও।  তুমি মানুষ হয়েও কেন  ওলীর মত বনের ফুলে ফুলে যাও।। নাকি তুমি বন্যপ্রাণী  কোন নিয়ম কানুনের ধার ধরণা,  মনুষ্যত্ব যদি থাকে  পশুর মত নোংরা কর্ম করো না।। ধার্মিক সেজে থাকো তুমি  চলনা তো মেনে তোমার ধর্মকে,  কর্মফলে বিশ্বাস কর  তবে কেন শোধরাও না কু কর্মকে।  মানুষ হতে হলে তুমি  সবার আগে নৈতিকতার মূলে যাও।।

ছিঁড়ে যাওয়া স্বপ্ন

 ছিড়ে যাওয়া স্বপ্ন  খাদিজা বেগম  ছিঁড়ে যাওয়া স্বপ্ন আমার  সান্তনার সুঁই সুতোয় সেলাই করি,  কাটায় ভরা পথটি আমার  পথে পথে রক্ত হয়ে ঝরি।। তবু চলে যাই এগিয়ে  তবু স্বপ্ন যত্ন করে রাখি, ক্ষুধার জ্বালায় পেট জ্বলে খুব  তবু আমার স্বপ্ন রাঙা আঁখি। আমার চলা বন্ধ হয় না  মাঝে মাঝে মুখ থুবড়িয়ে পড়ি।। ভেঙে যাওয়া হৃদয় আমার  যত্নে রাখি জোড়া তালি দিয়ে,  জীবন যুদ্ধে লড়াই করি  ভাঙ্গা চুরা এই হৃদয়টা নিয়ে।। আমার পথের কাঁটাগুলো  পথে পথে পুষ্প হয়ে ফুটবে,  ঝরে যাওয়ার রক্ত গুলো  টকটকে লাল সূর্য হয়ে উঠবে।  এই আশাতে বুক বেঁধেছি  এই আশাতেই নতুন স্বপ্ন গড়ি।।

মেঘের বাড়ি

 মেঘের বাড়ি  খাদিজা বেগম  ওই দেখা যায় নীল আকাশে  সারি সারি মেঘের বাড়ি,  ওই বাড়িতে থাকবো দুজন  মেঘের ভেলায় দেব পাড়ি।। চাঁদের সাথে বলবো কথা  আমরা জোছনা স্নানে নেমে,  অবিরাম বাসব ভালো  এই প্রেম যায় না যেন থেমে। তোমায় আমি গান শোনাবো  ভাটিয়ালি জারি সারি।। রংধনীর রং নিয়ে তোমার  ছবি আঁকবো আকাশের গায়,  লাল রং দিয়ে আলতা মাখবো  তোমার সুন্দর সোনালী পায়।। তারা দিয়ে গড়ে দেব  আমি তোমার দুই কানের দুল, চন্দ্র দিয়ে টিপ পরাবো  নাকে দেবো শুক তারার ফুল।  হাজার বছর থেকো আমার  যেও না গো আমায় ছাড়ি।।

দুঃখ

 দুঃখ  খাদিজা বেগম পিতা-মাতা জন্ম দিলেও  দুঃখ তোমায় শিক্ষা দেবে বিনয়,  বিনয়ী জন সবার প্রিয়  সবাই করে ভক্তি ভরে প্রণয়।। দুঃখ তোমায় শক্তি দেবে  মুক্তি দেবে করবে আলোকিত,  দুঃখ দেখে ভয় পেয়ো না  দুঃখ তোমায় করবে পুলকিত। দুঃখ কষ্ট শিখিয়ে দেয়  দুঃখী জনকে দিতে হবে আশ্রয়।। দুঃখ দেখায় বাস্তবতা  গড়ে তোলে পরিপক্ক মানুষ, দুঃখ তোমায় সুখ খুঁজে দেয় সুখে নেশায় আর থেক না বেহুশ।। দুঃখ শিখায় যুদ্ধ করতে  মানব জীবন হোক না যতই বৈরী,  সব সমস্যার মোকাবেলায়  সাহস নিয়ে থাকতে হবে তৈরি।  দুঃখের মাঝে শুখ লুকানো  পরাজয়ের পরেই আসে বিজয়।।

হাত বাড়িয়ে

 হাত বাড়িয়ে  খাদিজা বেগম  হাত বাড়িয়ে জোছনা এনে  গভীর রাতে মেখে দেব গায়ে,  তারার নূপুর তৈরি করে  বেঁধে দেব তোমার রাঙ্গা পায়ে।। তোমায় নিয়ে হাজার স্বপ্ন  রাত্রি জেগে জেগে চোখে ভাসে,  আমার এমন হাল দেখে ঐ রাত জাগা চাঁদ মিট মিটিয়ে হাসে। চাঁদ জানেনা প্রেম কারে কয়  কত রাত্রি জাগলাম প্রেমের দায়ে।। তোমার গলায় গেঁথে দেবো  ঝিলে ফোটা শাপলা ফুলের মালা,  জুই চামেলী ফুলে ফুলে  গড়ে দেবো তোমার হাতের বালা।। রজনী আর হাসনাহেনার  ফুল মিশিয়ে পরাবো ঐ চুলে, রূপসী ফুল মলিন হবে  যখন দেবো চুলের খোপা খুলে। না থেকেও তুমি থাকো  দিবানিশি আমার ডানে বায়ে।।

বোকার স্বর্গ

 বোকার স্বর্গ  খাদিজা বেগম  আমি কেন এত বোকা  না ঘুমিয়ে তোমার নিয়ে ভাবি,  তুমি আমার হবে না আর  তবু করি তোমায় পাবার দাবি।। তুমি আছো সুখের নিদ্রায়  সুখের স্বপ্নে স্বপ্নে বিভোর হয়ে,  আমার চোখে অশ্রু ঝরে  তোমায় আমি পাবো না সেই ভয়ে। কেন তোমায় ভালোবেসে  দিয়ে দিলাম আমার সকল চাবি।। তাইতো তোমার ইচ্ছে মত  যখন তখন কাদাও আমায় তুমি, উর্মি মুখর এই জীবনটা  সুযোগ পেয়েই করলে মরুভূমি।। ও বোকা মন এবার তুমি  নিজের কথা নিজেই দেখো ভেবে,  এত বোকা হলে মানুষ  তারে কে বা কাছে টেনে নেবে।  চল মন বোকার স্বর্গ থেকে  বুদ্ধির জোরে মুক্তি হয়ে যাবি।।

শন্তি নিয়ে যায় লুটে

 শান্তি নিয়ে যায় লুটে  খাদিজা বেগম  ফাগুন এলেই গাছে গাছে  নতুন পাতা হাজারো ফুল ফোটে,  বর্ষা এলেই নদীর বুকে  তুমুল বেগে পুলকিত ঢেউ ওঠে।। চৈত্র এলেই তীব্র খরায়  ফুলগুলো সব ধীরে ধীরে ঝরে যায়,  নদীর বুকের জল শুকিয়ে  বালু জেগে জেগে নদী ভরে যায়।  এমনি হয় এই জীবনে  কান্নার শেষে হাসি ফোটে দুই ঠোঁটে।। একি রকম যায় না জীবন  জীবন বয়ে চলে নদীর গতিতে,   অতিত নিয়ে ভেবে ভেবে  কেউ পতিত হয়ো না যে ক্ষতিতে।। পুষ্প ফোটে ঝরে যাবে  এই দুনিয়ার এই তো রীতিনীতি, যে যাবার সে চলে যাবে  খুশি থাকো নিয়ে সুখের স্মৃতি।  জোয়ার শেষে ভাটা হয়ে  একি পানি উল্টো দিকে যায় ছুটে।। আজকে যারা বন্ধু হয়ে ঠাই নিয়েছে তোমার মনের ভেতরে, কালকে তারাই শত্রু হবে  এই নিয়মটা গেঁথে রেখো অন্তরে। বন্ধু শত্রু আপন পরের  এই খেলাতে শান্তি নিয়ে যায় লুটে।।

ঠেকাই মাথা

 ঠেকাই মাথা  খাদিজা বেগম  তুমি উজ্জল তুমি নির্মল  তুমি সুন্দর স্নিগ্ধ শান্তি দাতা,  এই পৃথিবী জুড়ে তোমার  দয়া মায়া ভালোবাসা পাতা।। তুমি গৌরব তুমি সৌরভ  তুমি অদ্বিতীয় অমৃতময়, তুমি ছন্দ সুখ আনন্দ তুমি বাঁধা বিঘ্ন হীনা নির্ভয়। তোমার দেওয়া শ্রেষ্ঠ তোফা  সব শিশুদের প্রিয় পিতা মাতা।। তুমি অসীম তুমি অপার  তুমি স্নেহ তুমি অফুরন্ত,  তুমি তুফান তুমি সম্মান   তুমি ক্ষিপ্ত তুমি দীপ্ত শান্ত।। তুমি দুর্জয় তুমি দুর্বার তুমি অক্ষয় তুমি পবিত্র ময়,  তুমি জ্ঞানী তুমি গুনি  তুমি স্রষ্টা তুমি মহাপ্রলয়। তুমি আশ্রয় তুমি প্রশ্রয়  তাইতো তোমার পায়ে ঠেকাই মাথা।।

কাঁপা কাঁপা কন্ঠে

 কাঁপা কাঁপা কন্ঠে  খাদিজা বেগম  চাপা চাপা অস্থিরতা  কাঁপা কাঁপা কন্ঠে প্রকাশ পায়,  আর কতবার বলবো তোমায়  তুমি ছাড়া আমি নিরুপায়।। তোমার প্রেমের আকর্ষণে  মন থাকে না মনের মাঝে আর,  পাখি হয়ে উড়ে উড়ে  তোমায় খুজে বেড়ায় বারেবার। আমি কেমন করে বললে বুঝবে আমার মন তোমাকে চায়।। জীবন রক্ষার প্রয়োজনে  তোমাকে চাই আপন করে রোজ,  তোমায় ছাড়া ভালো নেই মন  কষ্ট আমায় নিয়ে করে ভোজ।। স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা জানে  তোমার জন্য উতাল পাতাল প্রাণ,  প্রেমের পুষ্প ঝরে পড়ে  বুকে নিয়ে এক বুক অভিমান। একাকিত্বের যন্ত্রনাতে  প্রাণ হারাবো তোমার প্রেমের দায়।।

পবিত্র কাবা

 পবিত্র কাবা  খাদিজা বেগম  আমি যদি পাখি হতাম  উড়ে উড়ে যেতাম কাবা ঘরে,  আমি যদি বৃষ্টি হতাম  কাবার বুকে মিশে যেতাম ঝরে।। পাখিও নই বৃষ্টিরও নই আমি নই তো টাকা পয়সা ওয়ালা, কাবায় যাবার বাসনাতে  আমার বুকের মাঝে ভীষণ জ্বালা। মনের মাঝে মেঘ জমেছে  দুই নয়নে বৃষ্টি ঝরে পড়ে।। শোনো শোনো কাবার মালিক  তুমি আমার শেষ ভরসা মনে,  অসম্ভবকে সম্ভব করো আমায় নিয়ে চলো তোমার সনে।। কাবা ঘরে তাওয়াফ করে কত পাপি তাপি পেল ক্ষমা,  তুমি আমায় কবুল করো  এই ফরিয়াদ তোমার কাছে জমা। ঐ পবিত্র কাবা তাওয়াফ  না করে যে আমি যাই না মরে।।

নীলাঞ্জনা

 নীলাঞ্জনা  খাদিজা বেগম নীলাঞ্জনার নীল নয়নে  হৃদয় আমার যায় হারিয়ে, আমায় যেন চুপি চুপি কাছে ডাকে হাত বাড়িয়ে।। কেমন করে দূরে থাকি  আমি থাকতে পারি না আর, মাছের কাছে পানি যেমন  যেন সেও তেমন আমার। নীলাঞ্জনার আসার পথে  তাকিয়ে রই রোজ দাঁড়িয়ে।। নীল আকাশের মত যেন  নিলাঞ্জনা নীল রাঙানো,  কঠিন হলেও আনন্দময়  অভিমানীর রাগ ভাঙ্গানো।। যতই কর রাগারাগি  আমি ততই কাছে আসবো,  মন মানে না শাসন বারণ  আমি তোমায় ভালোবাসবো।  আত্মসম্মান ছেড়ে আসবো যতই আমায় দাও তাড়িয়ে।। -

হে সুন্দরী

 হে সুন্দরী  খাদিজা বেগম  আমি একা ভেসে চলছি কাছে এসো হে সুন্দরী,  আমার কূলে এসে ভিরাও  ভীরাও তোমার সোনার তরী।। উর্মি মুখর এই সাগরে  তুমি ছাড়া কেউ নাই আমার,  সাগরের জল ভীষণ গরম  যেন জ্বলে পুড়ে ছারখার। তোমার শূন্য ঐ তরীতে  তুমি আমায় নাও না ভরি।। তোমায় লাগে আপন আপন শোনো ওগো বিদেশিনী, তুমি আমার মনের মানুষ  মন বলেছে তোমায় চিনি।। হে উদাসী কেন তোমার অশ্রু জলে আঁখি ছলছল, কার বিরহে এমন করে  ধুয়ে ধুয়ে পড়ে কাজল। তুমি আমার কাছে এসো  হে মায়াবী নীলাম্বরী।।

হৃদয় জুড়ে

 হৃদয় জুড়ে  খাদিজা বেগম  তুমি আমায় তোমার থেকে খুব যতনে দূরে ঠেলে দিলে,  তবু আছো হৃদয় জুড়ে এই হৃদয়ে আগে যেমন ছিলে।। আগের মতই ভালবাসি  যেমন বেসেছিলাম প্রথম ক্ষণে, মনে মনে আজো আমি  দিবানিশি থাকি তোমার সনে। তুমি হয়তো অন্যের সাথে  আমি আছি তোমার সাথেই মিলে।। আমায় দূরে ঠেলে দিয়ে  আমার মনের মাঝেই তুমি থাকো, এই দূরত্বে কি আসে যায়  আমায় যদি স্মৃতির পাতায় রাখো।। দুধে জলে মিলে গেলে  কখনো কি ভিন্ন হতে পারে? তোমার আমার প্রেম তেমনি  কভু ভিন্ন করা যায় না তারে। তোমায় দেখার ইচ্ছা হলে  চেয়ে থাকি দূরের আকাশ নীলে।।

কষ্ট গুলো

কষ্ট গুলো  খাদিজা বেগম  কেন কষ্ট গুলো আসে  বারে বারে আমার নামে, হাসিখুশি আর আনন্দ  খুঁজে পাই না আমার খামে।। আশাগুলো ভেঙ্গে ভেঙ্গে  হতাশার রূপ ধরে আছে,  কেন কাছের মানুষগুলো  কেউ থাকেনা আমার কাছে। ঘিরে আছে যন্ত্রণাতে সামনে পিছে ডানে বামে।। সুখ গুলো সব পথ ভুলে যায়  অন্য কারো পথের দিকে, দুধগুলো দই হওয়ার আগে  ভেঙে পড়ে হাঁড়ির ঝিকে।। আলো খুঁজি অন্ধকারে চারিদিকে বিষন্নতা, হিমাগারের লাশের মত  চারিদিকে নীরবতা। কষ্টে ভরা এই জীবনটা  জানিনা তো কোথায় থামে।।

পুরুষের প্রেম

 পুরুষের প্রেম  খাদিজা বেগম  পুরুষের প্রেম উপর উপর  নারীদের প্রেম গভীর অনুরাগে, পুরুষ যদি প্রেমিক না হয়  নারীদের প্রেম কি কভু জাগে??  স্বামী তুমি প্রেমিক থেকো  আমি থাকবো তোমার প্রেমে ডুবে,  তুমি যদি পশ্চিমে যাও  আমি কভু যাব না তো পুবে। প্রেমিক হয়ে থাকলে পাশে  দুঃখের মাঝেও জান্নাতের সুখ লাগে।। চাইনা তোমার রানী হতে  চাইনা আমার কোন রাজা রাজ্য, চোখে চোখে থেকো তুমি  একটু দূরে থাকা হয় না সহ্য।। এই পৃথিবীর সব যন্ত্রনা  সুখ হয়ে যায় তোমায় কাছে পেলে,  হাতের সাথে হাত মেলালে  যেন বুকের মাঝে স্বর্গ মেলে। তোমার একটু অবহেলায়  মন ভরে যায় কষ্টের দাগে দাগে।।

ঝরা পাতার মত

 ঝরা পাতার মত খাদিজা বেগম  তুমি দূরে ঠেলে দিলে  ঝরা পাতার মত পড়ি ঝরে,  চূর্ণ হয়ে যায় এ হৃদয় নির্বাসনে কাটাই আপন ঘরে।। হয় যদি ভুল বোঝাবুঝি  তোমার আমার ভালবাসার মাঝে,  অগ্নি লাভার মত জ্বলে  খুব নীরবে মনের ভাঁজে ভাঁজে। অভিমানে মুখ ঘুরালে  যেন পায়ের নীচের মাটি সরে।। তোমায় ছাড়া বেঁচে থাকার  নেই তো আমার অন্য কোন মানে,  তোমায় কত ভালোবাসি  শুধু আমার অন্তর্যামী জানে।। তুমি কাছে টেনে নিলে  হাতের মুঠোয় চলে আছে জান্নাত,  শত জনম তোমার সাথে  থাকার জন্য প্রার্থনায় চাই হায়াত। তুমি আমার ঘৃণা করলে  মনে হয় এই বুজি গেলাম মরে।।

মরণ

 মরণ খাদিজা বেগম  পাক পবিত্র হয়ে থেকো যখন তখন চলে আসবে মরন,  সবার আগে থাকে যেন  সবকিছুতে মহান আল্লাহর স্মরণ।। জন্মের সময় বলতে পারলেও  মৃত্যুর সময় কেউ পারেনা বলতে,  যেখানেই যাই যেখানেই রই  মৃত্যুর দিকেই যাচ্ছি চলতে চলতে।  কোন কিছুর বিনিময়ে  কেউ বাঁচাতে পারবে না তার জীবন।। বারে বারে মন ভুলে যায়  আমরা সবাই মৃত্যু পথযাত্রী,  এই পৃথিবী পরীক্ষার হল এর ভিতরে আমরা পরীক্ষার্থী।। আল্লাহর আদেশ-নিষেধগুলোর  গুরুত্ব দাও সময় থাকতে হাতে, আজি তোমায় শুধরিয়ে লও  অনুতাপে ভেজা মোনাজাতে। অল্পতে মন তুষ্ট রাখো  সকল মন্দ কাজে কে কর বারণ।।

ভাবতে হবে

 ভাবতে হবে  খাদিজা বেগম  ধর্ম নয় তো মুখস্ত পাঠ  কলেমা পাঠ করলে ধার্মিক হবে,  কাজের আগে ভাবতে হবে কেন তুমি এসেছ এই ভবে??  ধর্মের আদেশ নিষেধ যদি  নাইবা মানো তোমার ব্যবহারে,  ধর্মদ্রোহী দাও পরিচয়  কাজে এবং কথায় বারে বারে।  মিথ্যে নামাজ মিথ্যে রোজা  তোমার শুধু ধার্মিক সাজা তবে।। যেমন খুশি তেমন করেই  যদি চলতে থাকো, বলতে থাকো, তবে কেন সেজদায় পড়ে  বারে বারে তারে এত ডাকো?? আজ নিজেকে প্রশ্ন করো  তুমি কি সেই সত্যিকারের মানুষ,  নাকি অর্থ ক্ষমতা আর যৌন নেশায় নেশাখোর এক বেহুশ। ধর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে  প্রাণীগুলো মানুষ হবে কবে??

ওই জীবনটা

 ওই জীবনটা  খাদিজা বেগম  ওই জীবনটা কেমন হবে  যেই জীবনে তোমার মরণ নাই,  এখন থেকে ভেবেচিন্তে  তোমার জীবন তুমি সাজাও তাই।। এই জীবনে তোমার থেকে  দুঃখ কষ্টের শিকার হলে কেউ,  ওই জীবনে বহু গুনে  পাবে ফিরে আগ্নি কষ্টের ঢেউ। ভুল হলে ভুল স্বীকার করে  অনুতাপের আগুনে হও ছাই।। এই জীবনে তোমার জন্য  কেউ যদি হয় সুখে পুলকিত,  ওই জীবনে তার বিনিময়  তুমি হবে সুন্দর আলোকিত।। এই জীবন আর ওই জীবনের  সমান নয়ে মানব জীবন গড়া, মানব রূপী পশুদের দল  কানায় কানায় লোভ লালসায় ভরা  ওই জীবনের কথা ভেবে  আজি এসো সাবধান হয়ে যাই।।

অহংকারী

 অহংকারী  খাদিজা বেগম  শোনো শোনো অহংকারী  কি নিয়ে যে দেখাও এত অহংকার,  সব অহংকার ধ্বংস হবে  প্রান পাখিটা উড়ে গেলে একটিবার।। জায়গা জমি অর্থ-সম্পদ  সবি চলে যাবে অন্যের দখলে,  তোমার সাথে থাকবে না কেউ  মাটি দিয়ে চলে যাবে সকলে। বিনয় করে কথা বল  বন্ধ করো দম্ভ ভরা এই চিৎকার।। সোনার দেহ অচল হবে  দুই চরণে আর পারবে না দাঁড়াতে,  ভাঙ্গা ডালের মত দুই হাত  পড়ে থাকবে আর পারবে না বাড়াতে।। রুপের দেমাক অর্থের গৌরব  কিছুই তোমার আর আসবে না কাজে, কৃতজ্ঞতা ফুটে যেন  তোমার সকল ব্যবহারের মাঝে।। মুখের কথায় হাতের কাছে  কারো প্রতি আর করো না অত্যাচার।।

মুনকার নাকির

 মুনকার নাকির খাদিজা বেগম  তোমায় মাটি দিয়ে সবাই  যখন চলে যাবে ধীরে ধীরে,  মুনকার নাকির দুই ফেরেশতা  আসবে তখন তোমার মাটির নীড়ে।। কালো বর্ণের নীল নয়োনা  চলে আসবে ভেঙে মাটির দেয়াল, তোমার রব কে তোমার দিন কি  তোমার নবী কে এই তিনটা ছাওয়াল, সঠিক উত্তর দিবে তারাই  যারা সঠিক পথে আসে ফিরে।। ওই কবরে এমন প্রশ্ন  জিজ্ঞাসিবে তা সকলের জানা,  তবুও সে ফেঁসে যাবে  দুনিয়ায় যে করে তাল বাহানা।। তাই বলি মন সত্য বল  সত্য খোঁজো সত্য ভোজো তুমি, নইলে তোমার কবর হবে  জ্বলন্ত এক অগ্নি মরুভূমি। সদা সত্যের সাথে থেকো  জী বন রাখো নৈতিকতায় ঘিরে।।

আমার মৃত্যুর খবর

 আমার মৃত্যুর খবর  খাদিজা বেগম  একদিন আমার মৃত্যুর খবর  অগণিত লোকের মাঝে ছড়াবে,  সেই দিন আমার এই শরীরে  আতর গোলাপ সাদা কাপড় জড়াবে।। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করো  যারা আমার জানাজাতে দাঁড়াবে,  যারা আমার শেষ বিদায়ে  আমার কবর পর্যন্ত পা বাড়াবে। তাদের তুমি ধৈর্য দিও যারা তাদের প্রিয় মানুষ হারাবে।। তোমায় ছাড়া অন্য কিছু  আমি দেখতে চাই না আমার কবরে,  কোন প্রশ্ন শুনতে চাই না  আমি থাকবো তোমার আশার খবরে।। তোমায় দেখে চোখ জড়াবো  কানায় কানায় মন ভরাবো আনন্দে, তোমার পায়ে আশ্রয় নেব  তোমার মাঝে বিলীন হব সানন্দে। দয়া করে দেখা দিয়া  তোমাকে না দেখার কষ্ট সরাবে।।

যদি আমার হতে

 যদি আমার হতে  খাদিজা বেগম  তুমি যদি আমার হতে  মনের কোকিল ডাকতো প্রেমের ডালে, মন ভ্রমরা গান শোনাতো  ফুলের মধু পানের তালে তালে।। তোমায় যদি পেতাম আমি  চৈত্রের খরায় ঝড়তো স্রাবণ ধারা, আজ তুমি নেই আমার পাশে  এই জীবনটা হলো দিশেহারা। তোমার রূপে মুগ্ধ হয়ে  ফেঁসে গেছি তোমার প্রেমের জালে।। একবার যদি চাইতে আমায়  সারা জনম তোমার হয়েই থাকতাম,  প্রতি ভরে পাখির মতো  তোমার চোখের ঘুম ভাঙাতে ডাকতাম।। তুমি যদি আমার হতে  এই পৃথিবীতে পেতাম আমি জান্নাত,  তোমায় ছাড়া বাঁচতে চাই না  চাইনা আমার একটি দিনের হায়াত।  ইহকালে পরকালে  আমি তোমায় চাইবো সর্বকালে।।