Posts

Showing posts from November, 2025

কি হয়ে গেলো

  কি হয়ে গেলো 🖊️ খাদিজা বেগম  তোমার হাতের ছোঁয়া লাগে জানিনা কি হয়ে গেলো আমার, একে একে খুলে গেলো এই হৃদয়ের সকল বন্ধ দুয়ার।। তোমার চোখে চোখ পড়িতে আমার চোখের পলক গেল থেমে, এখন আমি কি যে করি মন পড়েছে তোমার চোখের প্রেমে।। প্রেমের ঝরে পর্দা উড়ে মন সামলানো দায় হয়েছে এবার।। কি যে করি সহনা দেরি তুমি এসো তাড়াতাড়ি ছুটে, মন কাননে ফুল ফুটেছে ভ্রমর হয়ে সব নিয়ে যাও লুটে।। এসো এসো মনের ঘরে তুমি থাকো মনের মানুষ হয়ে, একলা জীবন বিরহী মন চোখের জলে যাচ্ছে ক্ষয়ে ক্ষয়ে। তোমায় পেলে দূর হবে সব এই জীবনের অমানিশার আঁধার।।

শোন মেয়ে

  শোনো মেয়ে 🖊️ খাদিজা বেগম  শোন মেয়ে যারে নিয়ে স্বপ্ন দেখো রাত্রি জেগে জেগে, সেইতো তোমার সোনালী ভোর ভরে দেবে আঁধার মেঘে মেঘে।। ভালোবাসার রং বদলে যায় বদলে যাওয়া ঋতুর মত করে, মনের আবেগ ফুরিয়ে যায় চোখের পাতায় পাতায় বৃষ্টি ঝরে। কত দেখলাম প্রেম পিরিতি পুড়ে গেলো স্বার্থের আগুন লেগে।। তুমি নও তো এতো সস্তা তবু কেন যার তার হাতটা ধরো, নিজের জীবন ভালোবেসে নিজের মূল্য নিজেই তৈরি করো।। সবুর করলে মেওয়া ফলে জ্ঞানীগুনি সকল লোকে বলে, সবুর হারা হইলে তুমি তোমায় বাসতে হবে চোখের জলে। অসময়ে প্রেম করিলে তুমি ধ্বংস হবে ঝড়ের বেগে।।

সত্যের শক্তি আবিষ্কার

 সত্যের শক্তি আবিষ্কার  🖊️ খাদিজা বেগম  তোমার বাহির যত সুন্দর  ভিতর যেন ততই কুৎসিত কদাচার, স্বার্থ বোঝ অর্থ বোঝ   তুমি শুধু বোঝনা তো সদাচার।। যদি আয়নায় রূপ না দেখে  দেখা যেত তোমার অশ্লীল বিশ্রী মন, কারো ক্ষতি আর করতে না  পরোপকার করে যেতে আজীবন। পশুর চেয়েও হিংস্র তুমি  বিবেক নামের পাতাতে তার সমাচার।। যেমন ফুলে ফুলে ছুটে  মৌমাছি দল করে মধু আহরণ, তেমন করে ন্যায় সন্ধানে  মানুষের মন সদায় করে বিচরণ। বিবেক বুদ্ধি দিয়ে তুমি  কর তোমার সত্যের শক্তি আবিষ্কার,   যত আছে মনের পোষা  লোভ-লালসা করে দিয়ো বহিষ্কার। পরের ক্ষতি করে করে  নিজের উপর আর করো না অবিচার।।

অদৃশ্য অমানুষ

 অদৃশ্য অমানুষ 🖊️ খাদিজা বেগম  সুখের ভাগী হয়ে সবাই সুখের পায়ে পায়ে থাকে গড়াতে, দুঃখের ভাগী হয় না কেহ দুঃখীর পাশে রয় না কেহ ধরাতে।। সুখের সময় ঝাঁকে ঝাঁকে  বন্ধু-বান্ধব আসতে থাকে বাড়িতে, ভালো ভালো রান্নাবান্না  সকাল বিকাল চলতে থাকে হাড়িতে। দুঃখের সময় দেয় না সাড়া  ডাকলে বলে তাদের সময় নেই হাতে।। দুঃখের সময় যে জন সাথী   সেই তো তোমার সত্যিকারের আত্মীয়, সুখের দেখা পাবার পরে  তুমি তারে কভু ভুলে না যেয়ো।। অকৃতজ্ঞ স্বার্থপর লোক  দুই হাত ভরে কুড়িয়ে নেয় অভিশাপ, স্বার্থের মোহে ন্যায় হারিয়ে  কাঁকড়ার মত আঁকড়ে ধরে রাখে পাপ। মানুষ হতে চাইলে তুমি  তোমার মাঝের সেই অদৃশ্য অমানুষকে হবেই তোমায় সরাতে।।

নাটক কিংবা ছবি না

 নাটক কিংবা ছবি না  খাদিজা বেগম  হয়তোবা ঠিক নয়তোবা ভুল  এখন আমি ঠিক ভুল নিয়ে ভাবি না,  আমার চোখে যা ছিল ঠিক  তোমার চোখে সব ভুল ছিল সাবিনা।। তুমি আমি আমরা কেহ  কেন একে অন্যের জায়গায় ভাবি নাই, কোথায় গেল দাবি গুলো  এখন কেন আমাদের সেই দাবি নাই। তুমি আমার কবিতার গান  হয়তো আমি তোমার মনের কবি না।।  আমি যদি কবি হতাম  তোমায় ছন্দ করে রাখতাম কবিতায়,  শিল্পী হলেও একে রাখতাম ভালোবাসার রং মাখানো ছবিটায়।। আমি প্রেমিক খুব নিরুপায়  তোমায় কাছে রাখার উপায় জানা নাই, বোবার মত কাঁদে এই মন তোমার পিছে উড়ে যাবার ডানা নাই। ঠিক ভুল নিয়ে বাস্তব জীবন জীবনটা তো নাটক কিংবা ছবি না।।

আমায় তাড়িয়ে

  আমায় তাড়িয়ে খাদিজা বেগম  তোমার কথা ভাবতে গিয়ে রেখেছিলাম আমার দু'হাত বাড়িয়ে, খাজনা বিহীন রাখতে গিয়ে আমার মনের রাজ্য গেল হারিয়ে।। যেখানে নাই রাজ্য আমার সেথায় আমি রাজা হব কেমনে, যার কারনে সব হারালাম আজ আমাকে ফকির বলে সেই জনে। একটুখানি প্রেমের জন্য কাঁদি তোমার প্রেম দুয়ারে দাঁড়িয়ে।। তোমায় দেখার আগে আমার একটা সুখে রাজ্য ছিল মন জুড়ে, তোমায় রাখবো রানী করে সেই আশাতে আজো আমার বুক পুড়ে।। সে মন আমার ভেঙ্গেচুরে তুমি কোথায় চলে গেলে পালিয়ে, তোমায় ছাড়া অশ্রু জলে ধীরে ধীরে আমি যাচ্ছি তলিয়ে। তোমায় দিলাম আমার সবি তবু তুমি দিলে আমায় তাড়িয়ে।।

স্বর্গ

 স্বর্গ থেকে  খাদিজা বেগম  তোমার দিকে চেয়ে চেয়ে  যায় যদি যাক আমার পলক থেমে,  তবু তোমায় ভালবেসে  আমি ডুবে রবো তোমার প্রেমে।। তোমার কথা শুনতে শুনতে  জেগে জেগে হয় যদি হোক সকাল, তোমার পায়ে পা মিলিয়ে  চলতে চলতে যায় যদি যাক বিকাল। তবু আমরা বন্দি হয়ে থেকে যাব ভালবাসার ফ্রেমে।। যেমন বন্দি হয়ে থাকে   দুটি ঠোঁটের ভাঁজে ভাঁজে হাসি, তেমনি করেই থাকবো আমরা  একে অন্যের তরে বারো মাসি।। পাশাপশি থাকলে তুমি  পৃথীবিটা স্বর্গের মত লাগে, হাজার বছর ধরে শুধু  তোমার কাছেই থাকার ইচ্ছা জাগে। তুমি যেন স্বর্গ থেকে  শুধু আমার জন্যই এলে নেমে।।

ছুটি নিয়ে যাবো

  ছুটি নিয়ে যাবো খাদিজা বেগম  যত দিন যায় ততই যেন এ জীবনটা কঠিন হয়ে ওঠে, কিছুই ধরে রাখা যায় না সবি যেন স্রোতের মত ছুটে।। জীবন নদীর স্রোত ধারায় সব চলে যায় অজানা এক টানে, সাদা হয়ে যায় কালো চুল চামড়ায় পড়ে ভাঁজ বার্ধক্যের বানে। ঘ্রাণ ছড়িয়ে ছড়িয়ে প্রাণ ঝরে পড়ে ফুলের মত ফুটে। তবু কেন আমার আমার করে করে করি মিথ্যা চিৎকার, আমায় আমি চিনতাম যদি আর দিতাম না অন্যজনকে ধিক্কার।। ছুটাছুটির এই নিয়মে চিরতরে ছুটি নিয়ে যাবো, পাড়ের পয়সা আছে কি নাই তাই নিয়ে মন এখন থেকে ভাবো। যায় চলে যাক সব হারিয়ে ঈমান যেতে দেব না তো টুটে।।

যদি হাত ধরে রাখতে

 যদি হাত ধরে রাখতে  খাদিজা বেগম  তোমার কাছেই থেকে যেতাম  তুমি যদি আমায় কাছে ডাকতে, তোমার বুকেই বুক মেলাতাম  তুমি যদি এই হাত ধরে রাখতে।। তুমি কেন ডাক দিলে না  দাঁড়ালে না আমার সামনে এসে,  এখন তোমার আমার জীবন  দুই নয়নের জলে যাচ্ছে ভেসে।  আমি না হয় ভুল করেছি  তুমি না হয় ক্ষমার পরশ মাখতে।। যেমন করে সাগর রাখে  তার বুকেতে উর্মি মালা ধরে, তেমন থাকতাম তোমার বুকেই  আমায় রাখলে একটু আদর করে।। এখনো তো আশায় আছি  তুমি আসবে আমায় নিয়ে যেতে,  তোমার সাথেই থাকব বলে  মোনাজাতে কাঁদি দুই হাত পেতে। বিরহী মন বারেবার চায় তোমার সাথেই মিলেমিশে থাকতে।।