ভাস্কর্যের নামে মূর্তি

 ভাস্কর্যের নামে মূর্তি

খাদিজা বেগম

৯/১২/২০২০


দে দে তুই ছেড়ে দে মুনাফিক,নবীজীর সুন্নাতি পাঞ্জাবি,

আমরা মুমিন মুসলমান এ আমাদের ইমানি দাবি।


আর একবার হাত লাগালে আল্লাহওয়ালার পাঞ্জাবিতে,

জ্বলবে আগুন এই রাজপথে ঝরবে রক্ত ইমানি দাবিতে।


পরোয়া করিনা তোদের ঐ জেল জুলুম আর ফাঁসিতে,

মুনাফিকের মতো পারবোনা কভু ইমান ছাড়া বাঁচিতে।


জেগে ওঠো ওহে মুসলমান শোনো শোনো কি বলে মাতালে?

ওরা মারবে জুতা তালে তালে আল্লাহওয়ালাদের গালে গালে।


এর পরেও কি চুড়ি পরে অপেক্ষা করবো ঘরে বসে,

মুনাফিক আর নাস্তিকেরা কখন আমাদের মারতে আসে?


বাঁচার মতো বাঁচবো আমরা,মরতে হলে মরবো বীরের বেশে,

তবু ভীরু কাপুরুষ হবনা,এ পৃথিবীর কোন ক্লেশে।


সৎ কাজের সঙ্গী হবো ভাই অসৎ কাজে বাঁধা দেবোই,

আলেম ওলামাদের অপমানের প্রতিশোধ নেবোই।


আল্লাহ্ আমাদের হুকুম দাতা আমরা তার হুকুমের দাস,

ভুলে গেলে তার হুকুম ভাই জাহান্নামে জ্বলবো বারমাস।


চল চল,চল মুসলমান,যেতে হবে এখনই তো যুদ্ধে,

ভাস্কর্যের আর মাজারের সব অশ্লীলতার বিরুদ্ধে।


এক হও, এক হও ওরে ও ঈমানদার মুসলিম জনতা,

বাঘের মতো হুংকার দিয়ে দেখাও ঈমানের কি ক্ষমতা।


হাতে আল্লাহর তরবারি আর রাসূল নামের ঢাল।

অন্যায়ে বিরুদ্ধে করবো লড়াই ঈমানের সাথে চিরকাল।


মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ঐ দেখ মুনাফিক মিথ্যাবাদি,

এখনো যদি নিরব থাকি হয়ে যাবো বড় অপরাধী। 


সত্যি বলবো সৎ পথে চলবো সদা করবো আল্লার গোলামী,

আল্লার আদেশ আমাদের কাছে অনেক অনেক দামি।


উড়িয়ে দেবো গুড়িয়ে দেবো ভাস্কর্যের নামে সব মূর্তি,

ইসলামের ক্ষতি করে ওদের আর করতে দেবনা ফুর্তি।


যদি এক হয়ে যায় সব এ পৃথিবীর জালিমের দল,

সে দিনও হবো আমরাই সফল আল্লাহ্ আমাদের বড় বল।

Comments